আমাদের ক্যাম্পাস
কদম মোবারক এমআই উচ্চ বিদ্যালয়
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০১৩, ১৯:১৯
উপমহাদেশের অগ্নি পুরুষ মওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী ১৯৩০ সালে বারআউলিয়ার পুণ্যভূমি চট্টগ্রামে শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। নগরীর পত্রিকা পাড়া নামে খ্যাত জামালখান চেরাগী পাহাড় এলাকায় বিদ্যালয়টি অবস্থিত। নার্সারী থেকে শুরু করে মাধ্যমিক স্তরে দুই শিফট মিলিয়ে মোট ১১৭৫ জন শিক্ষার্থীকে ২৬ জন শিক্ষক পাঠদান করে। মাধ্যমিক স্তরে বিজ্ঞান, ব্যবসা শিক্ষা ও কলা তিনটি বিভাগ চালু আছে। বিদ্যালয়ে জেএসসি ও এসএসসিতে পাসের হার যথাক্রমে ৯৭% ও ৮৭%। বিদ্যালয়টিতে প্রতিবছর পিএসসি ও জেএসসিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিদ্যালয়টিতে বয় স্কাউট , গালর্স গাইড, বিএনসিসি আলাদা আলাদা দল রয়েছে। চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাসির উদ্দিন বর্তমানে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি। তবে স্কুলের নিজস্ব খেলার মাঠ ছোট হওয়ার কারণে কিছুটা বিপাকে আছে শিক্ষার্থীরা। বিদ্যালয়টির একাধিক অভিভাবকের সংগে কথা বলে জানা গেছে, বিদ্যালয়টির ঐতিহ্যের পিছনে রয়েছে অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলীর প্রচেষ্টা ও পরিচালনা পরিষদের সকলের আন্তরিকতা ও সর্বাত্মক প্রচেষ্টা। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে কৃতিত্বের সাথে দায়িত্ব পালন করছে এ বিদ্যালয়ের অনেক ছাত্র-ছাত্রী। বর্তমানে প্রধান শিক্ষক ক্যাডেট মো: এম এ জহুর এর পরিচালনায় একদল অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলীর স্নেহের পরশে ছাত্র-ছাত্রীরা শিক্ষা গ্রহণ করছে এ সুপ্রাচীন বিদ্যাপীঠ থেকে।
আবু তোয়েব
১০ম শ্রেণি, রোল নং-১
১৯৩০ সাল থেকে ঐতিহ্যবাহী এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি জ্ঞানের আলো ছড়াচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়ন করে অনেকে সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। সুনামের সঙ্গে আরো ভালো ফলাফলে অবদান রাখবে এটা আমার প্রত্যাশা। আমি আমার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে দেশের প্রথম সারির উচ্চ বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই।
==
মো: শাহাব উদ্দিন
৯ম শ্রেণি, রোল নং-১
বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে কম্পিউটার শিক্ষা গ্রহণ করা খুবই জরুরি। আমি চাই আমাদের বিদ্যালয়ের কম্পিউটার ল্যাবে নিয়মিত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকুক। যার মাধ্যমে ইন্টারনেট সেবাগুলো পেতে সহজ হবে। আমার বিদ্যালয়টি ভালো ফলাফলের ধারা অব্যাহত রেখে সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। আমি চাই বিদ্যালয়টি দেশের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।
==
মো. হাবিবুর রহমান
৮ম শ্রেণি, রোল নং-৩
আমি আমার বিদ্যালয়টি সব দিক থেকে স্বয়ংসম্পূর্ণ দেখতে চাই। শিক্ষা, বিনোদন, সাহিত্য-সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ সকল দিক থেকে সমভাবে কৃতিত্বের সঙ্গে এগিয়ে যাক এবং সামাজিক দায়িত্ববোধ সৃষ্টির মাধ্যমে দেশ ও জাতি গঠনে শিক্ষার্থীরা অবদান রাখুক এটাই আমার প্রত্যাশা। আমি এই বিদ্যালয়টিকে চট্টগ্রামবাসীর অহংকার হিসেবে দেখতে চাই।
==
মো: শাহজাহান
৭ম শ্রেণি, রোল নং-১১
ফলাফলের দিক থেকে আমাদের স্কুল সব সময় ভালো করে। আমরা বিদ্যালয়টিকে সব সময় ভালো ফলাফলের সেরা বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। সেই সাথে বিদ্যালয়ের সকল ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ড ও খেলাধুলার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, শিক্ষা সফর প্রভৃতি কর্মকাণ্ড দেখতে চাই। আমাদের স্কুলের পরিবেশ আরো ভালো দেখতে চাই সেই সাথে নিয়মিত বিতর্ক চর্চার দাবি জানাই।
==
শোয়াইবুল আলম
৬ষ্ঠ শ্রেণি, রোল নং-২
আমি আমার বিদ্যালয়ে ক্যান্টিন, ফুলের বাগান, পাঠাগার ও বিজ্ঞানাগারের আরো উন্নয়ন চাই। এছাড়া প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ ও শিক্ষা সহায়ক পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে একটি আদর্শ বিদ্যালয় হিসেবে দেখতে চাই। সেই সাথে বিদ্যালয়টি এই অঞ্চলের সেরা স্কুল হিসেবে গড়ে উঠুক। যাতে করে আমরা আমাদের এই স্কুলকে নিয়ে গর্ব করতে পারি।
ক্যাডেট মো: আবু জহুর
প্রধান শিক্ষক
বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই সুনামের সঙ্গে সকল কার্যক্রম সম্পন্ন করে যাচ্ছে। এটি এই জেলার ছেলে-মেয়েদের অন্যতম বিদ্যাপীঠ হিসেবে পরিচিত। তবে স্কুলের অনেক সম্ভাবনা আছে। আশা করছি সরকারের কাছ থেকে সহযোগিতা পেলে বিদ্যালয়টি দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করা সম্ভব হবে। বিদ্যালয়টির বিশেষ
বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একাডেমিক কার্যক্রমের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের সচেতনতা বৃদ্ধি ও সাধারণ জ্ঞান চর্চার মাধ্যমে প্রতিভা বিকাশের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হয়। ভালো শিক্ষক পেলে ভালো শিক্ষার্থীদের অভাব হয় না। তবে ভালো ফলাফলের জন্য ক্লাসে পড়া দেয়া এবং ক্লাসে পড়া নেয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে আমি মনে করি।