নভেম্বরের মধ্যে ডিমিউচুয়ালাইজেশন

লেনদেন ছয়শ’ কোটির উপরে

ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আহমেদ রশীদ লালী বলেছেন, ৯০ দিন সময় ধরে আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জে ডিমিউচুয়ালাইজেশন করতে হবে। এজন্য কাজ এগিয়ে চলছে। ডিএসইর ব্যবস্থাপনার পক্ষ থেকে একটি সেল গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি বোর্ডের পক্ষ থেকেও একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ডিমিউচুয়লাইজেশন বাস্তবায়নের জন্য স্কীম, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা এবং সম্পদ মূল্যায়ন করা হচ্ছে। আশা করছি সময়মতো বিএসইসিতে ডিমিউচুয়ালাইজেশনের পদ্ধতি জমা দেয়া সম্ভব হবে। এরপর বিএসইসি ৬০ দিনের মধ্যে তা অনুমোদন করে দিলে ইজিএম’র মাধ্যমে পাস হবে। এরপরই বাস্তবায়ন করা হবে ডিমিউচুয়ালাইজেশন। সবমিলিয়ে নভেম্বরের মধ্যেই ডিমিউচুয়ালাইজেশন বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে। গতকাল ডিএসই কার্যালয়ে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এদিকে টানা ৬দিন শেয়ারবাজারে সূচক বাড়ার পর গতকাল মঙ্গলবার কিছুটা স্তিমিত হয়েছে। ডিএসই’র সাধারণ মূল্য সূচক ৬ পয়েন্ট বাড়লেও কমেছে ডিএসই’র ব্রড সূচক (ডিএসইএক্স)। তবে লেনদেন হয়েছে ছয়শ’ কোটি টাকার উপরে। যা গত সাড়ে ৭ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে গত ১৪ অক্টোবর ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৯১ কোটি টাকা। বাজেটীয় প্রত্যাশাকে কেন্দ করে বেশ কিছু দিন ধরে বাজারে ইতিবাচক ধারা দেখা যাচ্ছে। ফলে বাড়ছে সূচক। তবে গতকাল মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা থেকে সূচক কিছুটা ওঠানামার মধ্য দিয়ে দিন পাড় করেছে বলে মনে করছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) কিছুটা কমে ৩ হাজার ৯৭৪ পয়েন্টে রয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক ৬ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ২২২ পয়েন্টে। আর ডিএসই-৩০ মূল্যসূচক ২ পয়েন্ট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৬৫ পয়েন্টে। ডিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৬১১ কোটি ৭৬ লাখ ৪ হাজার টাকা। যা গতকালের তুলনায় চেয়ে ৬৫ কোটি টাকা বেশি। লেনদেনকৃত ২৮৬টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ১০৮টির, কমেছে ১৫৯টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৯টির।