জোকস
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০১৩, ২০:১৬
সান্তা :জানিস, আমি কোনোদিন ট্রেনের টিকিট কাটি না।
বান্তা :যেদিন টিকিট চেকার ধরবে সেদিন মজা বুঝবি।
সান্তা :আরে টিকিট চেকার আমায় পাচ্ছে কোথায়, আমি তো ট্রেনেই চড়ি না।
মেয়েকে কাঁদতে দেখে বাবা জিজ্ঞেস করলেন—
বাবা :তুমি কাঁদছ কেন?
মেয়ে :দিদি মেরেছে।
বাবা :কখন মেরেছে?
মেয়ে :অনেকক্ষণ আগে মেরেছে।
বাবা :আগে মারলে এখন কাঁদছ কেন?
মেয়ে :তখন তো মনে ছিল না, এখন মনে পড়েছে তাই কাঁদছি।
এক খাবার দোকানে ঢুকেই বড় বড় অক্ষরে লেখা একটি নোটিশের দিকে চোখ পড়ল করিম সাহেবের। সেখানে লেখা, ‘এই হোটেলের প্রত্যেক ওয়েটারই আপনাদের যেকোনো নির্দেশ নির্দ্বিধায় মানার জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত!’
লেখাটা পড়ে কৌতুহলী করিম সাহেব ম্যানেজারের কাছে জানতে চাইলেন, ‘এই নোটিশের কথাগুলো আমি বিশ্বাস করব কেন?’
—‘বিশ্বাস করতেই হবে স্যার। এখানকার সব ওয়েটারই যে বিবাহিত!’ —জানালেন ম্যানেজার।
দুই উদাস ছাত্র পরীক্ষা শুরু হওয়ার পাঁচ মিনিটের মাথায় হল থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের মধ্যে গল্প করছে—
প্রথম ছাত্র :হ্যাঁ রে, আজ কোন বিষয়ের পরীক্ষা ছিল জানিস?
দ্বিতীয় ছাত্র :মনে হয় অংকের।
প্রথম ছাত্র :বাহ! তুই তো অনেক সিরিয়াসরে। প্রশ্নটা অন্তত হাতে নিয়ে দেখেছিলি তাহলে। আমি তো কিছু না দেখেই খাতা দিয়ে এলাম।
দ্বিতীয় ছাত্র :তোকে কে বলল যে আমি প্রশ্ন দেখেছি?
প্রথম ছাত্র :তাহলে অংক পরীক্ষা কী করে বুঝলি।
দ্বিতীয় ছাত্র :পাশের মেয়েটা ব্যাগ থেকে ক্যালকুলেটর বের করছিল দেখেই না ভাবলাম যে আজ হয়তো অংক পরীক্ষা!