তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরা অব্যাহত
প্রকাশ : ০৪ জুন ২০১৩, ২২:৩৭
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী এমপি’র বিরুদ্ধে মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) নুরুল ইসলামকে জেরা অব্যাহত রয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার বিচারপতি এটিএম ফজলে কবীরের নেতৃত্বাধীন যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ তাকে জেরা করেন সালাহউদ্দিন কাদেরের আইনজীবী আহসানুল হক হেনা। গতকাল জেরার এক পর্যায়ে আসামিপক্ষের আইনজীবী তদন্ত কর্মকর্তার কাছে জানতে চান, এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের সময় আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মধ্যে সমন্বয়ক ছিলেন সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আনোয়ার হোসেন মঞ্জু। এ প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, এটা তার জানা নেই।
আইনজীবী জানতে চান, ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে সালাহউদ্দিন কাদেরের নির্বাচনী পোস্টার বা প্রচারপত্র জব্দ করা হয়েছে কিনা। জবাবে নুরুল ইসলাম বলেন না। আহসানুল হক বলেন, ১৯৮৮ সালে জাতীয় পার্টি থেকে পদত্যাগ করে সালাহউদ্দিন কাদের এককভাবে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি) গঠন করেন। তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, হ্যাঁ।
জেরায় আহসানুল হক আরও বলেন, এরশাদের সময় সালাহউদ্দিন কাদের পুনর্বাসন ও ত্রাণমন্ত্রী হিসেবে তার নির্বাচনী এলাকায় হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের টিন, ত্রাণ ও অন্যান্য সাহায্য দিয়েছেন। নুরুল ইসলাম বলেন, দিয়ে থাকতে পারেন জানা নেই। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে সালাহউদ্দিন কাদেরের প্রস্তাবক ছিলেন নূতন চন্দ্র সিংহের ছেলে সত্যরঞ্জন। এ প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, তিনি জানেন না। এ বিষয়ে তদন্ত করেছেন কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, নূতন চন্দ্রের আরেক ছেলে প্রফুল্ল রঞ্জন সিংহ এ কথা অস্বীকার করেছেন।
নিজামীর বিরুদ্ধে ১০ম সাক্ষীকে জেরা চলছে
একই ট্রাইব্যুনালে গতকাল জামায়াতের আমীর মতিউর রহমান নিজামীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দশম সাক্ষী মো. তফাজ্জল হোসেনকে জেরা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী মিজানুল ইসলাম। জবানবন্দিতে তিনি বলেছিলেন, তিনি ও নিজামী সহপাঠী ছিলেন। তারা পাবনার সাঁথিয়া থানার বোয়ালমারী মাদ্রাসায় একই শ্রেণীতে লেখাপড়া করতেন। গতকাল জেরার এক পর্যায়ে মিজানুল ইসলাম জানতে চান, নিজামীকে সাক্ষী কি বলে সম্বোধন করতেন? এ প্রশ্নের জবাবে সাক্ষী বলেন, নিজামীকে তিনি ‘মামা’ বলে সম্বোধন করতেন। তফাজ্জলকে আজ বুধবার আবার জেরা করবে আসামিপক্ষ।