পাঁচ প্রশ্ন
মাহফুজ আহমেদ
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০১৩, ১৮:৫৪
একাধারে জনপ্রিয় অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক সবগুণেই গুণান্বিত মাহফুজ আহমেদ। এ নিয়েই সারাবেলার ব্যস্ততা তার। সময়ের পালাবদলে তার কাজের ক্ষেত্র, পরিধি এবং ধারাও কিছুটা বদলে গেছে। নাটকের চরিত্রকে বুঝে নেওয়ার তাগিদে চরিত্রায়াণের অর্ন্তনিহিত গল্পও খুঁজে ফিরেন তিনি। শুরু থেকেই অভিনয় করছেন নানা বৈচিত্র্যময় চরিত্রে। প্রতিটি চরিত্রেই নিজেকে ভেঙে আবার গড়েছেন, এর মাধ্যমেই চরিত্রের সঠিক তত্ত্ব তুলে ধরেছেন দর্শকদের সামনে। আনন্দ বিনোদনের নিয়মিত আয়োজন পাঁচ প্রশ্ন বিভাগে দিহান তার সাম্প্রতিক ব্যস্ততাসহ বলেছেন কিছু ভাবনার কথা। সাক্ষাত্কারটি নিয়েছেন রিয়াদ খন্দকার
কেমন যাচ্ছে আপনার সময়টা?
পজেটিভ-নেগেটিভ নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে আমি বিশ্বাসী না। আমি ভালো আছি, আমি ভালো কাজ করছি, আমি ভালো অনুভব করছি, সদা হাস্যোজ্জল আছি এটাই আমার জীবনের মূল বিষয়। সবরকমের পরিস্থিতিতে নিজেকে ভালো রাখাটাই হচ্ছে আমার কাজ।
বর্তমানে ব্যস্ততা কী নিয়ে?
ঈদ আসছে সুতরাং ঈদের কাজ নিয়েই বেশি ব্যস্ত সময় পার করছি। একাধারে অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক সব ক্ষেত্রেই আমাকে কাজ করতে হচ্ছে সুতরাং অন্যান্য সময়ের চেয়ে এই সময় বেশি ব্যস্ততায় কাটছে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিয়ে ধারাবাহিক নাটক ‘মাগো তোমার দোয়ায় ভালো আছি’-এর কাজ শেষ করলাম। মূলত দর্শক আমাকে যেমন দেখতে চায় তেমন ভাবেই আমি তাদের সামনে উপস্থিত হই। কাজ নিয়ে কখনও নিজের মাঝে অস্থিরতাবোধ করেনি আমি, কাজটাকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টাই আমার মাঝে সবসময় তাড়া করে।
কোন ধরনের চরিত্রে কাজ করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন?
আমি সবধরনের চরিত্রেই কাজ করতে পছন্দ করি। তবে পছন্দ বলতে গেলে আমি যা না সেই চরিত্রেই অভিনয়টা বেশি উপভোগ করি। যে চরিত্রে ‘তোমার হচ্ছে না’ টাইপের কোনো কিছু থাকে তাকেই আমি চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে পছন্দ করি। চরিত্রের সঙ্গে নিজেকে রূপান্তর করাটা একটা নেশা বলতে পারেন।
নাটকের মাঝে অতিরিক্ত বিজ্ঞাপন দেখানো সম্পর্কে আপনার মতামত জানতে চাই।
প্রায়ই দেখা যায় নাটকের টাইটেল দেখানোর পরই শুরু হয়ে গেল বিজ্ঞাপন, এ ক্ষেত্রে মাঝে মাঝে আমার মনে হয় আমরা দর্শকদের নাটক দেখাতেই চাই না। এর পরিত্রাণের উপায় চ্যানেলগুলোর হাতেই আছে তারা চাইলেই একটি ফরম্যাটে নিয়ে আসতে পারে।
আপনার নাগরিক আনন্দ-বেদনা কতটুকু?
দেশের যেকোনো আনন্দে আমি উদ্বেলিত হই, যেকোনো কষ্টে আমি ভারাক্রান্ত হই। গার্মেন্টসশিল্পের এত মানুষের মৃত্যু আমাকে ব্যথিত করেছে। এ ছাড়া ক্রিকেট ম্যাচ ফিক্সিংয়ে আশরাফুলের অবস্থান দেখে আমি বিশেষভাবে কষ্ট পেয়েছি, দেশের এই লজ্জা কোথায় রাখব। সর্বোপরি দেশের বিদ্যমান যেকোনো পরিস্থিতি আমাকে ভাবিয়ে তোলে আমাকে প্রচণ্ড নাড়া দেয়। দেশটা তো নিজেদের এর সংরক্ষণ ভারও কিন্তু নিজেদের উপরেই বর্তায়।