সুবর্ণচরে তিন বছরেও শেষ হয়নি ব্রিজ নির্মাণ
প্রকাশ : ০৫ জুন ২০১৩, ২১:২৪
সুবর্ণচর উপজেলার পূর্বচরবাটা ইউনিয়নের বাঁশখালি খালের উপর খাসের হাট-আনছার মিয়ারহাট সড়কে ১২ মিটার দীর্ঘ গার্ডার ব্রিজটির নির্মাণ কাজ তিন বছরেও শেষ হয়নি। এতে সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে এবং এলাকার হাজার হাজার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে এ স্থানে খালের উপর একটি কাঠের সাঁকো দিয়ে চলাচল করতে হয়েছে। বর্তমানে সাঁকোটিও ভেঙ্গেচুরে চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় উক্ত সড়ক হয়ে আনছার মিয়ারহাট, জোবায়ের বাজার, রেনু বাজার, লন্ডনীর চৌরাস্তা, কাজল মার্কেট ও খাসের হাটসহ বিভিন্ন বাজার ও গ্রামগুলোতে যাতায়াত করতে হয়। স্থানীয়রা এ জনদুর্ভোগ নিরসনের জন্য স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের হস্তক্ষেপ কামনা করলে গত ২০১০ সালের জুলাই মাসে স্থানীয় সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী ও সুবর্ণচর উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনম সেলিম কাঠের সাঁকোর পার্শ্বে একটি গার্ডার ব্রিজ নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এলজিইডির তত্ত্বাবধান ও অর্থায়নে বৃহত্তর নোয়াখালী প্রকল্পের আওতায় ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এ কাজ শুরু করে। গার্ডার ব্রিজের অর্ধেক কাজ শেষ করার পর প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ না দেয়ায় গত এক বছর থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি কাজটি বন্ধ করে রেখেছে।
এ ব্যাপারে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হক এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী আবদুল আউয়াল আজাদ জানান, তিনি ৮০ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ করেছেন। এতে তার ২২ লাখ টাকা খচর হলেও তিনি মাত্র ৮ লাখ টাকা বিল পেয়েছেন। যার কারণে কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না।
এ ব্যাপারে এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী নাজমুল করিম জানিয়েছেন, ঠিকাদারকে কাজ শেষ করার জন্য ইতোমধ্যে তাগিদপত্র দেয়া হয়েছে। তবে প্রকল্পে অর্থ বরাদ্দ না পাওয়ায় নির্মাণ কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও তিনি স্বীকার করেন।