করমুক্ত আয়ের সীমা দুই লাখ ২০ হাজার টাকা

ব্যক্তি শ্রেণীর করমুক্ত আয়ের সীমা বিদ্যমান দুই লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে দুই লাখ ২০ হাজার টাকা করা হয়েছে। এর পরবর্তী তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ১০ শতাংশ, পরবর্তী চার লাখ টাকা পর্যন্ত ১৫ শতাংশ, পরবর্তী তিন লাখ টাকা পর্যন্ত ২০ শতাংশ এবং অবশিষ্ট আয়ের উপর ২৫ শতাংশ হারে কর দিতে হবে। একই সঙ্গে নারী ও ৬৫ বছরের ঊর্ধ্বের করদাতাদের কর বিদ্যমান সোয়া দুই লাখ টাকা থেকে আড়াই লাখ টাকা ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের পৌনে তিন লাখ টাকা থেকে তিন লাখ টাকা করা হয়েছে। সিগারেট ও মোবাইল ফোন কোম্পানির বিদ্যমান ‘কর্পোরেট কর’ বেড়েছে। শেয়ারবাজারে লেনদেন হয় এমন সিগারেট কোম্পানির কর হার বিদ্যমান ৩৫ শতাংশ থেকে ৪০ শতাংশ, শেয়ারবাজারে লেনদেন হয় না এমন সিগারেট কোম্পানির ক্ষেত্রে করের হার সাড়ে ৪২ শতাংশ থেকে ৪৫ শতাংশ করা হয়েছে। এছাড়া শেয়ারবাজারে লেনদেন হয় এমন মোবাইল ফোন কোম্পানির কর বিদ্যমান ৩৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, মোবাইল ফোন কোম্পানির ক্ষেত্রে কেবলমাত্র গ্রামীণফোন শেয়ারবাজারে নিবন্ধিত। এছাড়া ন্যূনতম করের ক্ষেত্রেও সিটি কর্পোরেশন ও জেলা উপজেলার করদাতাদের ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে। বর্তমানে প্রত্যেক কর সনাক্তকরণ নম্বরধারীর (টিআইএন) বার্ষিক রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে ন্যূনতম তিন হাজার টাকা কর দিতে হয়। সিটি কর্পোরেশনভুক্ত এলাকাগুলোর জন্য এটি তিন হাজার টাকা বহাল রেখে জেলা শহরের পৌর এলাকার জন্য দুই হাজার টাকা ও এর বাইরের এলাকা বা গ্রামীণ এলাকার জন্য ন্যূনতম কর এক হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাজেট বক্তৃতায় এ বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, বিরাজমান মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, প্রান্তিক করদাতাদের করভার লাঘবের কথা চিন্তা করে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ২০০৭-০৮ অর্থবছরে প্রকৃত করদাতার সংখ্যা ছিল ৬ লাখ ৮০ হাজার। বর্তমান অর্থবছরে এটি ১১ লাখ ছাড়িয়ে যবে বলে আশা করা হচ্ছে।