সিম কার্ড তৈরির সরঞ্জামের আমদানি শুল্ক কমছে

ঘোষিত বাজেটে মোবাইল ফোনের সিমকার্ড উত্পাদনকারীদের স্বার্থে আমদানি পর্যায়ে শুল্ক কমানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। পাশাপাশি করপোরেট বা কোম্পানি করের ক্ষেত্রে কিছু পরিবর্তন আনার প্রস্তাব রেখেছেন অর্থমন্ত্রী। অন্যান্য কর স্তর পুনর্বিন্যাস না করে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত মোবাইল ফোন অপারেটরদের করের হার ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, গ্রামীণফোন ছাড়া আর কোনো কোম্পানি এখনো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি। তাই করপোরেট কর যে ৫ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে তা শুধু গ্রামীণফোনের ওপর কার্যকর হবে। সিমকার্ড উত্পাদনকারীদের স্বার্থে আমদানি পর্যায়ে ৩০ শতাংশ সম্পূরক শুল্কের বদলে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেন অর্থমন্ত্রী। বর্তমানে বাংলাদেশে বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠান সিমকার্ড তৈরি করছে। এই সিম কার্ড তৈরির জন্য বেশকিছু চিপস বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তার উপরই এই ১০ শতাংশ শুল্ক কমানো হয়েছে। অবশ্য এর আগে অর্থমন্ত্রী সিমকার্ডের উপর ট্যাক্স ৬০০ টাকা থেকে কমিয়ে ৩০০ টাকা করেন। যা বাজেটে উল্লেখ করা হয়নি। এছাড়া ওয়েব ও ডিজিটাল ক্যামেরা, অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবলের শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়ার কথা উল্লেখ করে ওয়েব ক্যাম, ডিজিটাল ক্যামেরায় বর্তমানে ২৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক কমিয়ে ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আমদানির ক্ষেত্রেও বর্তমানের ১২ শতাংশ শুল্ক হার কমিয়ে ৫ শতাংশ এবং দেশীয় পর্যায়ে উত্পাদনে ব্যবহূত উপকরণের ক্ষেত্রে ২৫ ও ১২ শতাংশ শুল্ক হার কমিয়ে কোনো শুল্ক আরোপ না করার জন্যও প্রস্তাব করেন তিনি। অর্থমন্ত্রী তার বাজেট বক্তৃতায় থ্রিজি কার্যক্রম শুরু, ইউনিয়ন তথ্য কেন্দ্র, প্রতি জেলায় ই-সার্ভিস সেন্টার চালুর কথা জানান। বাজেট বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী করপোরেট কর ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করেন। এর আগে মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোকে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্তিতে উত্সাহ দিতে কর হার ১০ শতাংশ ছাড় দেয়া হয়েছিল। কিন্তু গ্রামীণফোন ছাড়া আর কোনো কোম্পানি এখনো শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হয়নি।