শেয়ারবাজারে বাজেটের প্রভাব প্রসঙ্গে সিএসই
ইতিবাচক হলেও গতানুগতিক
প্রকাশ : ০৮ জুন ২০১৩, ২১:০৭
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সভাপতি আল মারুফ খান বলেছেন, চলতি অর্থবছরের বাজেটে পুঁজিবাজার স্থিতিশীলতার জন্য যেসব পদক্ষেপ ছিল আগামী বাজেটে তার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। তাছাড়া ব্যক্তি শ্রেণির করদাতা বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছুটা ইতিবাচক পদক্ষেপ থাকলেও সামগ্রিকভাবে গতানুগতিক বাজেট হয়েছে। তাই বাজেট কেন্দ্র করে শেয়ারবাজারে বড় ধরনের হেরফের হবে না। গতকাল শনিবার সিএসই কার্যালয়ে আয়োজিত বাজেট পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় সিএসই’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মো. মহিউদ্দিনসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
আল মারুফ খান বলেন, ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়ের সীমা বাড়ানোসহ কর রেয়াতের জন্য বিনিয়োগের সীমা বাড়ানো হয়েছে। যা ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য ইতিবাচক। এছাড়া লভ্যাংশ আয়ের করমুক্ত আয় সীমা ৫ হাজার থেকে বাড়িয়ে ১০ হাজার টাকায় প্রস্তাব করা হয়েছে। এ সীমা ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এ ধরনের পদক্ষেপ বিনিয়োগকারীদের ক্ষতিপূরণে প্রণোদনা হিসাবে কাজ করবে।
ব্যক্তি বিনিয়োগকারীদের জন্য কিছু ইতিবাচক পদক্ষেপ নেয়া হলেও প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেই উল্লেখ করে আল মারুফ খান বলেন, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের মূলধনী লাভের উপর ১০ ভাগ করের পরিবর্তে তা ধারণের মেয়াদ অনুযায়ী প্রগতিশীল হারে কর আরোপ করা প্রয়োজন। তাছাড়া কোম্পানিগুলোর অধিক লভ্যাংশের ক্ষেত্রে অধিক কর রেয়াত ভিত্তিতে স্ল্যাব করে কর রেয়াত ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হলে কোম্পানিগুলো লভ্যাংশ প্রদানে উত্সাহিত হবে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক ঋণদাতাদের পুঁজিবাজারে দেয়া মন্দ ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতির জন্য মোট আয়ের ১ শতাংশ পর্যন্ত সঞ্চিতি অনুমোদনের আহ্বান জানান তিনি।
সিএসই সভাপতি আরও বলেন, বাজেটে বাংলাদেশ ফান্ডের উল্লেখ থাকলেও এর বাস্তবায়নের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট দিক-নির্দেশনা দেয়া হয়নি। ডেরিভেটিভস বা কমডিটি বাজার চালুর ব্যাপারেও কোন দিক- নির্দেশনা নেই। তাছাড়া পুঁজিবাজারে কালো টাকা বিনিয়োগের ব্যাপারে স্পষ্ট করা হয়নি। এ বিষয়গুলো স্পষ্ট করা প্রয়োজন।