১১ মাসে রপ্তানি বেড়েছে সাড়ে ১০%
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৩, ১৯:৫৭
চলতি ২০১২-১৩ অর্থবছরের ১১ মাসে রপ্তানি আয় বেড়েছে গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। তবে একই সময়ে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যায় নি। লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে রয়েছে ৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আলোচ্য সময়ে ২ হাজার ৫১৬ কোটি মার্কিন ডলারের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ৪৩২ কোটি ডলারের পণ্য ও সেবা। রপ্তানি উন্নয়ন পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গত ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রপ্তানি হয়েছে ২ হাজার ১৯৮ কোটি ডলারের পণ্য ও সেবা। চলতি অর্থবছর রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করা হয়েছে ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলার। অর্থবছরে বাকী রয়েছে আর মাত্র এক মাস। এই সময়ে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা যাবে না বলেই মনে করেন এ খাতের সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে একক মাস হিসেবে গত মে মাসে ২৬৩ কোটি ডলার লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ২৫৪ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে রপ্তানির পরিমাণ ছিল ২২০ কোটি ডলার। মে মাসে রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি ১৫ শতাংশ।
রপ্তানির মূল নিয়ামক তৈরি পোশাক রপ্তানি অর্থবছরের শুরুতে বেশ খানিকটা পিছিয়ে থাকলেও সামপ্রতিক মাসগুলোতে লক্ষ্যমাত্রা কাছাকাছি রয়েছে। ফলে রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা ও অর্জনের ব্যবধান কমে এসেছে। গত অর্থবছরে মোট রপ্তানির প্রায় ৭৯ শতাংশ এসেছে এককভাবে তৈরি পোশাক খাত থেকে।
গত ১১ মাসে তৈরি পোশাক খাতের নিটওয়্যার লক্ষ্যমাত্রা থেকে সামান্য পিছিয়ে থাকলেও ওভেন রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করতে সমর্থ হয়েছে। আলোচ্য সময়ে ৯৫৩ কোটি ডলারের নিটওয়্যার পণ্য রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে রপ্তানি হয়েছে ৯৩৯ কেটি ডলারের পণ্য। আগের অর্থবছরের একই সময়ে ৮৫৭ কোটি ডলারের নিট পণ্য রপ্তানি হয়েছিল। এ খাতে রপ্তানি বেড়েছে প্রায় ১০ শতাংশ। একই সময়ে ওভেন রপ্তানি হয়েছে ৯৯২ কোটি ডলারের যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৪ শতাংশ বেশি।
গত ১১ মাসে রপ্তানি বেড়েছে এমন পণ্য হলো কৃষি পণ্য, পেট্রোলিয়াম উপজাত দ্রব্য, ওষুধ, চামড়া ও চামড়া পণ্য, কাঠ ও কাঠজাত পণ্য, হস্তশিল্পজাত সামগ্রী, পেপার ও পেপার পণ্য, পাট ও পাটজাত সামগ্রী, মশলা, পাদুকা, প্রকৌশল পণ্য ও কম্পিউটার সেবা। একই সময়ে রপ্তানি কমেছে এমন পণ্য হলো, হিমায়িত খাদ্য, চা, তামাক, উল ও এ জাতীয় পণ্য, কাঁচা পাট, টেরি টাওয়েল, হোম টেক্সটাইল, জাহাজ।