প্লাস্টিক ক্রোকারিজ পণ্যে ভ্যাট প্রতাহারের আহ্বান
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৩, ১৯:৫৭
প্লাস্টিক ক্রোকারিজ পণ্যে প্রস্তাবিত মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) প্রতাহারের জানিয়েছে বাংলাদেশ প্লাস্টিক দ্রব্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক এসোসিয়েশনের (বিপিজিএমইএ) সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন। তিনি জানান, প্লাস্টিকের সকল আইটেম ভ্যাট বা মূসক এর আওতাভুক্ত। শুধুমাত্র এইচ এস কোড ৩৯.২৪ এর অধীনে প্লাস্টিকের ক্রোকারিজ সামগ্রী যেমন, থালা, বাসন, মগ, জগ, বালতি, গামলা, ঝুড়ি, স্কুলের বাচ্চাদের ব্যবহার্য পানির বোতল, বদনা ইত্যাদি পণ্য সামগ্রীর ভ্যাটের আওতামুক্ত ছিলো। কিন্তু আসছে ২০১৩-১৪ অর্থবছরের জন্য এসকল পণ্যে ভ্যাটের আওতায় আনার প্রস্তাব করা হয়েছে। ফলে দ্রুত বিকাশমান এই খাতের অগ্রযাত্রা বাধাগ্রস্ত হবে। প্রস্তাবিত বাজেটের উপর এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি জানান, আসছে বাজেটে বিভিন্ন খাতের উন্নয়নে অর্থমন্ত্রী শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করেছে। মোল্ড উত্পাদনের শিল্প বিকাশে স্টীল আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান ১২ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণ মওকুফ করা, অগ্নিনির্বাপণ শিল্পের শুল্ক হ্রাসসহ দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় বিভিন্ন আমদানির পর্যায়ে ৫১টি আইটেমে শুল্ক হ্রাস করা হয়েছে। অন্যদিকে প্লাস্টিক ক্রোকারিজ পণ্যে ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।
তিনি জানান, ইতিপূর্বে প্লাস্টিকের ক্রোকারিজ পণ্যে মূসক অব্যাহতি থাকায় নিম্নআয়ের ভোক্তাগণ অল্প মূল্যে এ সমস্ত পণ্য সস্তায় ক্রয় করতে পেরেছে, এ খাতের বিকাশও হয়েছে। বর্জ্য থেকে উত্পাদিত কাঁচামালে অনেক প্লাস্টিক ক্রোকারিজ সামগ্রী তৈরি হচ্ছে বিধায় তা বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কার্যকর ভূমিকা রাখছে। প্রস্তাবিত বাজেটে ১৫ শতাংশ মূসক আরোপ করায় এসকল পণ্যের মূল্য বেড়ে যাবে। ফলে সকল ক্রোকারিজ প্রতিষ্ঠানের উত্পাদন কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে। এর সাথে সংশ্লিষ্ট লক্ষাধিক মালিক ও কর্মচারীর অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থবির হয়ে পড়বে। অনেক কারখানা বন্ধ হয়ে যাবে। এ সুযোগে বিদেশি স্বল্প মূল্যের ক্রোকারিজ পণ্যে দেশের বাজার সয়লাব হয়ে যাবে বলে আশংকা প্রকাশ করা হচ্ছে। তাই বিপিজিএমইএ’র পক্ষ থেকে আরোপিত ১৫ শতাংশ মূসক প্রত্যাহার করে পূর্বের ন্যায় মূসক অব্যাহতি রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে।