চি ত্র প্র দ র্শ নী
ছবি জীবনের পূর্ণাঙ্গ রূপ, অন্তর্নিহিত তাত্পর্য
প্রকাশ : ০৯ জুন ২০১৩, ২০:০৩
‘২০১১ থেকে ১২, দুই বছরের আঠার মাস আমি আমেরিকায় কম ও প্রাকৃতিক রঙ ব্যবহার করে ছবি আঁকার গবেষণা কাজে ছিলাম। তখন আমার প্রতিদিনের জীবনযাত্রার অভিজ্ঞতাগুলো ছবিতে তুলে ধরি। সেই আঁকা ছবি নিয়েই সেটা মারগেনা শীর্ষক একক প্রদর্শনীটি। আর তার একটি প্রতিচ্ছবি নিয়ে উত্থানপর্ব শীর্ষক গ্রুপ প্রদর্শনীটি হচ্ছে। আমার কাছে ছবি আঁঁকা হল ডাইরি লেখা। আমি প্রতিদিনের জীবনযাত্রায় যে অভিজ্ঞতা অর্জন করি তাই বর্ণনা করি ছবিতে। প্রতিমুহূর্তে এই বিশ্বের ঘটে যায় কত ঘটনা। যার কিছু আমরা দেখতে পাই কিছু থাকে অধরা। একজন শিল্পী তার কল্পনা দিয়ে খুঁজে নেন তার পূর্ণাঙ্গ রূপ, অন্তনিহিত তাত্পর্য। যেমনটা আমি করতে চেষ্টা করি আমার চিত্রকর্ম দিয়ে। প্রত্যেক শিল্পীর থাকে একটা স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট। সময়ের সাথে বদলায় চারপাশ শিল্পী বদলায় তার সাথে কাজ দিয়ে।’ এভাবেই শিল্পী রোকেয়া সুলতানা তার ছবি সম্পর্কে বলেন। একই সময় দুটি গ্যালারিতে চলেছে তার চিত্রপ্রদর্শনী। একক চিত্রপদর্শনীতে ৪৪টি আর গ্রুপে ১০টি ছবি স্থান পেয়েছে। প্রদর্শনীর ছবিগুলো নিয়ে শিল্পী বলেন-বর্তমান বিশ্ব তথ্যপ্রযুক্তির গতিতে সদা ধাবমান, আর আমেরিকা অবস্থান এতে আগ্রভাগে। তাই আমার ছবিতে প্রধান্য পেয়েছে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার। পেশায় রোকেয়া সুলতানা চারুকলার শিক্ষক। ছাপচিত্র বিভাগের বিভাগীয় প্রধানের দায়িত্ব পালন করছেন। শিল্পী আর শিক্ষকতার অভিজ্ঞতা থেকে বলেন, মেয়েরা সৃজনশীর কাজে অনেক বেশি বলিষ্ঠ ভূমিকা রাকতে পারেন। তবে নারীর জীবনে শিল্পকর্মের ছন্দপতন ঘটে বিবাহ আর সংসারের মায়া জালে। তবে অবশ্যই বলবো আমাদের সামাজিক রিতিনীতিগুলো মেয়েকে শিল্পকর্মে উত্সাহিত করে না।