শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্ব শর্ত

ক্ষমতা হস্তান্তর শান্তিপূর্ণ হলে অর্থনীতি পায় পূর্ণতা শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরই যে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত এতে কোন সন্দেহ নেই। কারণ কেউ যদি শান্তিপূর্ণ উপায়ে কারো কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে, তবে সেখানে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা হয় না, আর যেখানে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা হয় না সেখানকার অর্থনৈতিক অবস্থাও পায় পরিপূর্ণতা। এক্ষেত্রে আমরা উল্লেখ করতে পারি বি.এন.পি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় ঐক্যজোট যখন ক্ষমতায় ছিল তখনকার কথা, কেননা আমরা তখন লক্ষ্য করেছি যে, বিএনপি. নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট যখন নির্দলীয় ও নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন দিতে তাল-বাহানা শুরু করে দেয় ঠিক তখনি বাংলাদেশে আওয়ামী লীগ একের-পর এক কর্মসূচি দিয়ে রাজপথ উত্যপ্ত করে তুলে আর জাতীয়তাবাদী দল বি. এন. পি সেই আন্দোলনে বাধা দিলে দেশ আরও উত্যপ্ত হয়ে উঠে। অতঃপর দেশে আসে ১/১১। অতঃপর দেশের অর্থনীতি প্রায় পঙ্গু হয়ে যায়। বর্তমান সরকার অর্থনীতিতে কিছুটা গতি আনলেও রাজপথ আবারো উত্যপ্ত হয়ে উঠেছে। জানি না শেষ পর্যন্ত কী হবে? তবে একথা সত্য আগামীতে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর হলে অর্থনীতি পাবে পূর্ণতা অন্যথায় আমাদের অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়বে, যার দায়ভার এড়াতে পারবে না কেউ। তারেক রহমান স্নাতক সম্মান (বাংলা) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর, বাংলাদেশ দেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থা ফিরিয়ে আনা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ক্ষমতা হস্তান্তর উচিত সুজলা সুফলা শস্য-শ্যামলা আমাদের এই বাংলাদেশ। এই দেশের দিকে দিকে রয়েছে সবুজের সমারোহ। যে দিকেই তাকাই শুধু সবুজ আর সবুজ। কিন্তু চির সবুজ এই দেশ আমাদের মাতৃভূমির বর্তমান অবস্থা কি তাই নিয়ে সবার ভাবনা। বর্তমানে দেশে এক কঠিন সংকটময় সময় চলছে। যা অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। বর্তমানে দেশে গুম, হত্যা, হরতাল লেগেই আছে। আমরা এমনই একটা দেশে বাস করছি যেখানে এক নেত্রী আরেক নেত্রীর মুখ দর্শন করে না। একজন আরেক জনকে চিরশত্রু মনে করে। এভাবে চলতে থাকলে দেশ অচল হয়ে পড়বে। আর এতে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে দেশের জনগণ। কিন্তু আমাদের দেশের দুই নেত্রী এই খেটে খাওয়া মানুষের কথা একবারও কি চিন্তা করে না? যদি করেই থাকতো তাহলে দেশে হানা-হানি, খুন, গুম ও হরতালের মত কার্যকলাপে অংশগ্রহণ করতো না। দেশে বর্তমান অবস্থা থেকে পরিত্রাণ পেতে হলে দু’দলকেই সমঝোতার মাধ্যমে কোন পদক্ষেপ নিতে হবে। এজন্য সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। তাই বিরোধী দলের সাথে সমঝোতার মাধ্যম সৃষ্টি করতে হবে। এবং তাদের সমঝোতা করার জন্য যেকোন পদক্ষেপ দিতে হবে। তবেই দেশে শান্তি ফিরে আসবে। পরিশেষে বলা যেতে পারে দল-মত, জাতি সবাই ঐক্যজোট হয়ে আমরা কি পারি না আমাদের এই সোনার দেশকে অপার সম্ভাবনাময় দেশে পরিণত করতে। মিঠুন দাস (স্বপন) ১ম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) সরকারি গৌরনদী কলেজ গৌরনদী, বরিশাল সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের অবশ্যই পূর্বশর্ত- শান্তি-শৃঙ্খলা সভ্য সমাজের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য এবং অর্থনৈতিক উন্নয়ন পূর্বশর্ত। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন আর মাত্র ৫ মাস বাকী। নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে বিরোধী দলগুলো আন্দোলন করছে। আন্দোলন ও হরতালের নামে দেশে নৈরাজ্য ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড করছে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বড় একটি বাধা, বিচার মানি তবে তালগাছ আমার এমন নীতি পরিহার করে সরকারি দল বিরোধী দল যার যার অবস্থান থেকে কিছুটা ছাড় দিয়ে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থায় ঐক্যমত্যে পৌঁছানো সম্ভব। শৃঙ্খলা বোধের অভাবে ব্যক্তি থেকে সমাজ এবং সমাজ থেকে রাষ্ট্রের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। দু’পক্ষের আচরণ দেখে মনে হয় এরা শত্রু। হরতালের নামে চলছে রাজপথে, সড়কগুলো গাড়ীতে আগুন ভংচুর, লুটতরাজ, এটাই কি হরতাল। গাড়ীর মধ্যে অনেক মা-বান যাত্রী থাকে তাদের শরীরে আগুন লাগানো। এভাবে চলতে থাকলে মানুষের অপমৃত্যু হতেই থাকবে, আর আমাদের উপর এর দায়ভার বাড়তেই থাকবে। এভাবে এক সময় দেশ কঠিন সমস্যায় পতিত হবে। পরিণামে অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নিয়ে আসবে ব্যাপক ধস। দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সুষ্ঠুভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করার পরিবেশ সৃষ্টি করা। অমিতাভ বিশ্বাস ডিএইচএসএম (৪র্থ) বর্ষ, মেডিক্যাল বিভাগ ফেডারেল হোমিওপ্যাথিক কলেজ এন্ড হাসপাতাল, ঢাকা-১২১৫ অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ভর করে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার উপর যেকোন দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশত হলো রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা। গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে বাংলাদেশও তার ব্যতিক্রম নয়। কিন্তু গণতান্ত্রিক দেশ হিসাবে বর্তমানে বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা বিরাজ করছে। তা আরো প্রকট আকার ধারণ করছে আগামী দশম জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে। বর্তমান সরকার চাচ্ছে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন করতে। আর প্রধান বিরোধী দল বিএনপি চাচ্ছে তত্ত্বাবধায়ক সরকার। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবিতে বিএনপি জোট একের পর এক হরতাল দিচ্ছে। যা দেশের অর্থনীতিতে বাধা সৃষ্টি করছে। অপরদিকে শাসক জোট বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে জেলে ভরে নির্যাতন করছে। ক্ষমতায় থাকা আর যাওয়ার জন্য দুই জোটের মধ্যে যে যুদ্ধ শুরু হয়েছে তাতে দেশের অর্থনীতি ধ্বংস হচ্ছে। তাই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও শান্তির লক্ষ্যে নির্বাচিত হোক বা অনির্বাচিত হোক একজন গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে প্রধান করে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ রেখে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও নির্বাচিত দলের নিকট ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করতে হবে। কারণ গ্রহণযোগ্য নির্বাচন ও শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত। তাই দুই প্রধান জোট তা আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে করবে বলে আমরা আশা করি। মো. আব্দুল করিম (বিশ্বাস) অনার্স ১ম বর্ষ অর্থনীতি বিভাগ এন,এস সরকারি কলেজ, নাটোর