সংবিধানে আদিবাসীদের অধিকার নিশ্চিত হলে আলাদা আইনের প্রয়োজন হতো না

‘বাংলাদেশ আদিবাসী অধিকার আইন’ নিয়ে মতবিনিময় সভায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেছেন, সংবিধানে আদিবাসীদের অধিকার নিশ্চিত করা হলে ক্ষুদ্র জাতিসত্তার জন্য আলাদা আইনের প্রয়োজন হতো না। যদি সংসদীয় ককাসের সদস্যরা আন্তর্জাতিক শ্রম আইনের ১৬৯ ধারাটি কার্যকরের জোর উদ্যোগ নিতে পারেন, তাহলে আদিবাসীদের অধিকার আদায়ের জন্য বিশেষ কোনো আইনের প্রয়োজন নেই। কারণ, ঐ আইনেই আদিবাসীদের অধিকারের কথা স্বীকৃত আছে। গতকাল রবিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আদিবাসী-বিষয়ক সংসদীয় ককাস আয়োজিত জাতীয় পর্যায়ের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইন কমিশনের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ আলম প্রস্তাবিত আইনকে আরো বাস্তবমুখী করার আহবান জানান। আদিবাসী-বিষয়ক সংসদীয় ককাসের আহ্বায়ক রাশেদ খান মেনন সভাপতির বক্তব্যে বলেন, আদিবাসী অধিকার আইন দাবি করলে সেটা বাস্তবায়ন করতে অনেক সময়ের প্রয়োজন। তিনি বলেন, সংবিধানে আদিবাসীদের অধিকার এসেছে খণ্ডিতভাবে। পার্বত্য চুক্তির এত বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের অধিকার এখনো প্রতিষ্ঠা পায়নি। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, সাংবাদিক আবেদ খান, নওয়াজিশ আলী খান, শক্তিপদ ত্রিপুরা, ইলিরা দেওয়ান প্রমুখ। আদিবাসী অধিকার আইনের খসড়া উপস্থাপন করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য গৌতম কুমার চাকমা।