চাষাঢ়ায় শিবিরের ভাঙচুর যানবাহনে আগুন

নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র চাষাঢ়ায় গতকাল রবিবার রাতে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে জামায়াতে ইসলামের অন্যতম সহযোগী সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবির। এ সময় তারা দুটি বাসে আগুন দেয় এবং দুটি প্রাইভেটকার ভাঙচুর করে। এর ফলে ব্যস্ততম চাষাঢ়ায় লোকজনদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কেন্দ্রীয় জামায়াতের নেতাদের আদালত অবমাননার অভিযোগে রবিবার সাজা প্রদান করে। এ ঘটনায় সোমবার সারাদেশে হরতাল আহ্বান করে জামায়াতে ইসলামী। গতকাল রাত ৮টায় শহরের চাষাঢ়ায় খাজা সুপার মার্কেটের সামনে থেকে হঠাত্ করেই ঝটিকা মিছিল করে ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা জামায়াতের পক্ষে শ্লোগান দেয়। এক পর্যায়ে মিছিলকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে চাষাঢ়া গোলচত্বরের আশপাশে ব্যাপক ভাঙচুর চালাতে থাকে। তারা নসিব পরিবহনের একটি বাস ও দুরন্ত পরিবহনের হিউম্যান হলারে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া ভাঙচুর করা হয় দুটি প্রাইভেট কার। মাত্র ১০ মিনিটেই শিবির এ ভাঙচুর চালিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় শহরে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় চাষাঢ়া এলাকার সকল প্রকার যানবাহন। চাষাঢ়াতেই পুলিশ বক্স রয়েছে। এছাড়া কাছেই রয়েছে জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই)-এর অফিস। তাছাড়া শহীদ মিনারে প্রায় সারাদিনই থাকে পুলিশের টহল। কিন্তু এর সবকিছু ভেদ করে শিবির এই ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পরে নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের ইউনিট এসে পরিবহনের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ওসি মঞ্জুর কাদের ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, পুলিশ আসার আগেই শিবিরের লোকজন ছত্রভঙ্গ হয়ে চলে গেছে।