সুইসাইড নোটে অপরাধী জিয়া খানের প্রেমিক সুরজ পাঞ্চালি
প্রকাশ : ১০ জুন ২০১৩, ২০:০০
জিয়া খানের আত্মহত্যার পেছনে এখন পুরোপুরি দায়ী হচ্ছেন তার সাবেক প্রেমিক সুরজ পাঞ্চালি। জিয়া খানের আত্মহত্যার বেশ কিছুদিন পর ৬ পৃষ্ঠার এই সুইসাইড নোট খুঁজে পান তার বোন। পরবর্তীতে জিয়া খানের মা পুলিশের নিকট চিঠিটি হস্তান্তর করেন। যেখানে নির্দিষ্ট কারও নাম উল্লেখ না থাকলেও স্পষ্টভাবে লিখেছেন প্রেমিকের কথা। অন্যদিকে সবাই জানেন জিয়া খানের প্রেমিক হচ্ছেন বলিউড অভিনেতা আদিত্য পাঞ্চালির ছেলে সুরজ পাঞ্চালি। জিয়া খান তার রেখে যাওয়া চিঠিতে লিখেন, ‘আমার আর নিঃশ্বাস নেওয়ার কোনো কারণ নেই। আমি যা চেয়েছিলাম, তার সবই ছিল ভালোবাসা। আমি তোমার জন্য সবই করেছি। আমি যা করেছি আমাদের দু’জনের জন্যই করেছি। আমার ভবিষ্যত্ও ধ্বংস করেছি। আমি আমার অন্যান্য চাওয়াকে জীবন থেকে দূরে ঠেলে দিয়েছি। তুমি কখনও আমার ভালোবাসাকে মূল্য দাওনি। আমার মুখের উপর আমাকেই লাথি মেরেছ। আমার আর কেনো আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাস রইল না। আমার স্বপ্ন, আমার প্রতিভা তুমি সব নিয়ে নিয়েছ। তুমি আমার জীবনকে ধ্বংস করে দিয়েছ।’ ছয় পৃষ্ঠার এই চিঠির আরও কিছু অংশে জিয়া খান লিখেছেন, ‘তুমি যা চেয়েছিলে তার সবই ছিল উল্লাস আর ঠাট্টা। আর মেয়ে মানুষ ছিল তোমার স্বার্থ হাসিলের পথ। কিন্তু আমি যা চেয়েছিলাম তার সবই ছিল তোমায়-আমায় ঘিরে থাকা সুখী জীবন। তুমি সবই আমার কাছ থেকে কেড়ে নিয়েছ। আমি নিঃস্বার্থভাবে নিজেকে বিলীন করেছি তোমার মাঝে।’ একই চিঠির আরেক অংশে লিখেন, ‘এরপর আর আমার বেঁচে থাকার কিছুই নেই এই পৃথিবীতে। আমি আশা করি, তুমি আমাকে এভাবেই ভালোবাসতে ঠিক যেভাবে আমি তোমাকে বেসেছি। একেবারে নিঃসঙ্গ হয়ে ছাড়ছি এই পৃথিবী, শুধু রেখে যাচ্ছি ভাঙা স্বপ্ন ও শর্তহীন কিছু কথা।’ এখন আমি যা চাই তার সবই হচ্ছে ঘুম, যেখান থেকে আর জেগে ওঠা যায় না।’
উল্লেখ্য, বলিউড অভিনেত্রী জিয়া খান গত ৩ জুন মুম্বাইয়ের জুহুস্থ নিজ বাসভবনে রাত প্রায় ১২টার দিকে আত্মহত্যা করেন।