ভাল খেলার লক্ষ্য মোহামেডান ও বিজেএমসির
প্রকাশ : ১১ জুন ২০১৩, ২১:১৯
গ্রামীণফোন সুপার কাপ শুরু হতে আর মাত্র দুদিন বাকি। দলগুলোর প্রস্তুতিও প্রায় শেষ পর্যায়ে। নিজেদের লক্ষ্যও নির্ধারণ করে ফেলেছে ক্লাবগুলো। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে ) ভবনের কনফারেন্স রুমে গতকাল মঙ্গলবার নিজেদের লক্ষ্যের কথা জানালো টুর্নামেন্টের ‘বি’ গ্রুপের দুদল মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব ও টিম বিজেএমসি। অনেক প্রতিকূলতার পরেও ভাল খেলতে চায় দুটি দলই।
গত দুটি সুপার কাপের ফাইনালিস্ট ছিল মোহামেডান। কিন্তু সময় স্রোতে পরিস্থিতি পাল্টে যাওয়ায় সুপার কাপ জয়ের কথা জোর গলায় বলতে পারছেন না সাদা-কালো কোচ সাইফুল বারী টিটু। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে কোচ বললেন, ‘পরিস্থিতি এমন যে, অতীত নিয়ে ভাবতে পারছি না। গ্রুপের তিনটি দলই ভালো। তারপরও যে দলের স্থানীয় ফুটবলার সংগ্রহ ভালো, চ্যাম্পিয়ন হওয়ার সম্ভাবনা তাদের বেশি।’ অবশ্য ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব বেশ আত্মবিশ্বাস নিয়ে বললেন, ‘বিদেশি না থাকায় টুর্নামেন্ট সবার জন্য উন্মুক্ত। তাই আমাদের তরুণ ফুটবলারদের নিয়েই আমি সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো আত্মবিশ্বাস রয়েছে।’
অধিনায়ক মতিউর মুন্না বললেন অল্প সময়ের প্রস্তুতির কারণে ফুটবলারদের ফিটনেস সমস্যা থাকছেই। তারপরও তার মুখে আত্মপ্রত্যয়ী কথা, ‘সুপার কাপে ভাল করার চেষ্টা থাকবে। দীর্ঘদিন ধরে শিরোপা পাচ্ছি না। শিরোপা জয়ের মাধ্যমে ব্যর্থতা গোচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো।’ দলের সহকারী ম্যানেজার ইমতিয়াজ আহমেদ নকিব জানালেন, লিগে বিদেশি ফুটবলার যদি না থাকতো, স্থানীয়দের নিয়ে লিগ হলে আমরাই চ্যাম্পিয়ন হতাম। সুপার কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেটার প্রমাণ করবো।’
অন্যদিকে টিম বিজেএমসি’র কোচ জাকারিয়া বাবু বলেন, ‘দলের মূল চালিকা শক্তি হচ্ছে তারুণ্যে আর অভিজ্ঞতা। এ দুটিকে সমন্বয় করেই বিজেএমসি শিরোপা জয় করতে চায়।’ তিনি আরও জানান, বিদেশি না থাকায় তার দলের বড় কোন ধরনের সমস্যা।
বিদেশি খেলোয়াড় না থাকায় দলকে বড় কোন সমস্যায় পড়তে হবে না বলেই মনে করছেন কোচ। দেশি খেলোয়াড়দের উপরই ভরসা রাখছেন তিনি, ‘আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড়দের সংগ্রহ অনেক ভাল। তাদের উপর আমার যথেষ্ট আস্থা আছে দলকে তারা অনেক দূর নিয়ে যাবার সামর্থ্য রাখে।’
একইরকম আত্মবিশ্বাস দেখা গেল অধিনায়ক অমিত খান শুভ্র’র কণ্ঠেও, ‘সুপার কাপে আমাদের টার্গেট ফাইনাল খেলা। এ প্রত্যয় নিয়েই মাঠে নামবো।’ আর কোচের মতো তারও ভরসা দেশি খেলোয়াড়, ‘কোন দলের শক্তি-সামর্থ্য থেকে আমরা পিছিয়ে নেই। দলে যেসব তরুণ ও প্রতিশ্রুতিশীল খেলোয়াড় রয়েছেন তারা আগামী দশ বছর জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা রাখেন। এছাড়া যে কোন দলের চেয়ে আমাদের স্থানীয় খেলোয়াড় সংগ্রহও অনেক ভালো।’