সিলেটে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ব্যস্ত প্রার্থীরা
হুমায়ূন রশিদ চৌধুরী, সিলেট অফিস
প্রকাশ : ১১ জুন ২০১৩, ২১:৫৮
সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের আর মাত্র ৩ দিন বাকি। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় ভীষণ ব্যস্ত প্রার্থী ও সমর্থকরা। ব্যস্ত নির্বাচন কমিশন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তারাও। ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থান থেকে কেন্দ্রীয় নেতারাও প্রতিদিন আসছেন-যাচ্ছেন। ফলে এখানে নির্বাচনী আবহে প্রতিদিন নতুন মাত্রা যোগ হচ্ছে।
এদিকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, নির্বাচন কমিশন সরকার দ্বারা প্রভাবিত। তা না হলে তারা নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতো। মঙ্গলবার আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি একথা বলেন। ড. মোশাররফ বলেন, সিলেটে সাইফুর রহমানের সকল উন্নয়ন বাস্তবায়ন করেছেন আরিফুল হক। তিনি সিলেটের সামগ্রিক উন্নয়নে আরিফুল হককে নির্বাচিত করতে নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান। ১৮ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে প্রচারণা চালাতে সোমবার রাতে ড. মোশাররফ ছাড়াও সিলেটে আসেন বিএনপির সহ-সভাপতি ও ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকা, যুগ্ম-মহাসচিব মোহাম্মদ শাহজাহান, শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা। মঙ্গলবার সকালে তারা হযরত শাহজালাল (র.)-এর মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে আরিফের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করেন। আরিফুল হককে সাথে নিয়ে তারা নগরীর বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে পথসভায় বক্তব্য রাখেন।
১৪ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী বদরউদ্দিন আহমদ কামরানের পক্ষে সরকারি দল ও ১৮ দলের আরিফুল হক চৌধুরীর পক্ষে বিরোধী দল বা জোটের এমপি থেকে শুরু করে বিভিন্ন পর্যায়ের বিভিন্ন জেলার জনপ্রতিনিধিরাও এখন সিলেটের মাঠ-ঘাট চষে বেড়াচ্ছেন। সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সিলেটে এখন টান-টান উত্তেজনা। এক কথায় ‘নির্বাচনী ফোবিয়ায় ভুগছে সিলেট’।
আচরণবিধি লঙ্ঘন:গাড়ী ব্যবহার
অন্যদিকে সিলেটে প্রধান দুই মেয়র প্রার্থীর পক্ষের লোকজনের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, বিশেষ করে গাড়ি ব্যবহারের অভিযোগের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে নির্বাচন কমিশনের বিশেষ টিম মাঠে নেমেছে। উভয় প্রার্থীরই ১০ জন উপজেলা চেয়ারম্যান ও সংসদ সদস্য তাদের গাড়ি নিয়ে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।