উন্মুক্ত স্থানে রাজনৈতিক সভা করার অনুমতি দেয়া হবে না
প্রকাশ : ১১ জুন ২০১৩, ২২:৫৩
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর বলেছেন, উম্মুক্ত স্থানে কোন রাজনৈতিক সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না। দলীয় অফিসের ভিতরে এবং দেয়াল ঘেরা মিলনায়তনে প্রচলিত আইন ও বিধি মেনে সভা-সমাবেশ করার জন্য অনুমতি চাইলে তা বিবেচনা করা হবে।
গতকাল মঙ্গলবার বিকালে স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরু হলে পয়েন্ট অব অর্ডারে ফ্লোর নিয়ে বিরোধী দলীয় ভারপ্রাপ্ত চিফ হুইপ শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী সভা-সমাবেশ করার ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মহীউদ্দীন খান আলমগীর একথা বলেন।
শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, বুধবার বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে গত রবিবার আমরা আবেদন করেছিলাম। কিন্তু অনুমতি পাইনি। পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে দেখা করেছি। তাতেও কোন সাড়া পাইনি। এমনকি দলীয় কার্যালয়ের বাইরে মুক্তাঙ্গন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সভা-সমাবেশের অনুমতি চাইলেও তাতে সম্মতি দেননি পুলিশ কমিশনার।
তিনি বলেন, সংসদীয় কমিটিতে সিদ্ধান্ত হয়েছে শর্ত সাপেক্ষে সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে। কিন্তু সভা-সমাবেশের অনুমতি না দিয়ে গণতান্ত্রিক অধিকার ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে। এরকম চললে আমরা হরতালসহ কঠোর কর্মসূচি দিতে বাধ্য হব। এরজন্য কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তার দায়ভার সরকারকে নিতে হবে।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এর আগে শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশের অনুমতি নিয়ে পরিবহনে আগুন, জ্বালাও- পোড়াও করে জনগণের জানমালের সম্পদ ক্ষতি করা হয়েছে। অতীতে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে এখন কোন উম্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশের অনুমতি দেয়া হবে না। এমনকি মাননীয় সদস্য যেসব স্থানে সমাবেশের অনুমতি চেয়েছেন তা দেয়া সম্ভব হবে না। তাদের দলীয় কার্যালয়ের অভ্যন্তরে এবং দেয়াল ঘেরা কোনো মিলনায়তনে শান্তিপূর্ণভাবে সভা-সমাবেশ করার অনুমতি চেয়ে আবেদন জানালে তা বিবেচনা করা হবে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর আবারো পয়েন্ট অব অর্ডারে কথা বলার জন্য এ্যানী অনুমতি চাইলে ফ্লোর না দিয়ে স্পিকার বলেন, মাননীয় সদস্য আপনার বিষয়টি মন্ত্রী শুনেছেন এবং জবাব দিয়েছেন। নিশ্চয়ই তিনি বিবেচনা করবেন।