রিটার্নিং অফিসারকে মেয়র প্রার্থী কামালের আল্টিমেটাম
প্রকাশ : ১২ জুন ২০১৩, ২১:০৪
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের (বিসিসি) মেয়র পদপ্রার্থী শওকত হোসেন হিরনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রিটার্নিং অফিসারকে আল্টিমেটাম দিয়েছেন প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল। মঙ্গলবার রাতের মধ্যে হিরনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয় ঘেরাওসহ কঠোর কর্মসূচি দেয়ারও হুমকি প্রদর্শন করা হয়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে রিটার্নিং অফিসার মোঃ মুজিবুর রহমানের কার্যালয়ে গিয়ে মেয়র প্রার্থী কামাল এ আল্টিমেটাম দিয়েছেন। এসময় আহসান হাবিবের সাথে বরিশাল-৪ আসনের সংসদ সদস্য মেজবাহ উদ্দিন ফরহাদ উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যাপারে জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদের মেয়র প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের নির্বাচনী এজেন্ট এডভোকেট মজিবুর রহমান নান্টু বলেন, ১৪ দলের মেয়র প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনের পক্ষে নগরীর বিভিন্নস্থানে রঙিন বিলবোর্ড টানানো হয়েছে। যা নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন। ৪ জুন নির্বাচন কমিশনার মো: শাহনেওয়াজ সকল রঙিন বিলবোর্ড ও ব্যানার তোড়ন নামিয়ে ফেলার নির্দেশ দিলেও তা শওকত হোসেন হিরন মানছেন না বলে নান্টু অভিযোগ করেন। কামালের পক্ষ থেকে এ ব্যাপারে গত ৬ জুন রিটার্নিং অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। কিন্তু এ ব্যাপারে তিনি কোনো কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি।
আচরণ বিধি ভঙ্গ করায়
দু’যুবকের কারাদণ্ড
বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে ছাত্রদল নেতাসহ দু’যুবককে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। মঙ্গলবার দুপুরে বিসিসি’র নির্বাচনে এই প্রথম সাজা দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী হাকিম রুবেল মাহমুদ। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন-নগরীর কাটপট্টি এলাকার খলিলুর রহমানের পুত্র ৯নং ওয়ার্ড ছাত্রদলের সদস্য মারকিনুল ইসলাম মারুফ ও একই এলাকার মৃত জাহাঙ্গীর হোসেনের পুত্র মোঃ রিয়াজ হোসেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ওই দু’যুবক সোমবার গভীর রাতে সম্মিলিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী শওকত হোসেন হিরনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারমূলক পোষ্টার টানানোর সময় স্থানীয়রা তাদের আটক করে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। মঙ্গলবার দুপুরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে সোপর্দ করা হয়। ওই দু’যুবক তাদের অপরাধ স্বীকার করায় তাদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত মারুফ নিজেকে জাতীয়তাবাদী নাগরিক পরিষদের প্রার্থী আহসান হাবিব কামালের কর্মী বলে স্বীকার করেন।
এছাড়া মঙ্গলবার রাতে বাবুগঞ্জ উজেলা বিএনপির নেতা অহিদুল ইসলাম প্রিন্সের বাসভবনে অভিযান চালায় র্যাব। তবে প্রিন্সকে গ্রেফতার করতে পারেনি।