[ নি র্বা চ ন ]

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে প্রার্থীদের কাছে জনগণের প্রত্যাশা

স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে প্রণীত সবচেয়ে যুগান্তকারী আইনগুলোর মধ্যে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ অন্যতম। জনগণের সেবায় নিযুক্ত সকল কর্তৃপক্ষের কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা স্থাপনের লক্ষ্যে জনগণকে তাদের কাজের ওপর নজরদারি করার অধিকার দেয়া হয়েছে এই আইনটিতে। দেয়া হয়েছে কোনো কর্তৃপক্ষ কীভাবে পরিচালিত হয়, তাদের কাজে আইন ও বিধিমালা মেনে চলা হয় কিনা তা জানার আইনি অধিকার। তাদের কাজ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য জনগণ এখন আইনতঃ জানতে চাইতে পারে। তথ্য চাওয়ার পর তা দেয়া না পেলে কর্তৃপক্ষকে জরিমানা করার বিধানও আইনে আছে। বহু যুগ স্থায়ী সরকারি কাজে গোপনীয়তার সংস্কৃতি বন্ধ করে উন্মুক্ত সংস্কৃতির সূূচনা হয়েছে আইনটির মাধ্যমে। আইনটি ব্যবহার করে দেশের সকল নাগরিক এখন সরকারি কিংবা দাতা সংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সরাসরি তাদের কাজ সম্পর্কিত যাবতীয় তথ্য জানতে চাইতে পারেন। তাছাড়া তথ্য অধিকার আইনের ৬ নম্বর ধারায় সংশ্লিষ্ট সকল কর্তৃপক্ষকে স্বপ্রণোদিত হয়ে তাদের কাজ সম্পর্কিত সকল তথ্য জনগণের কাছে প্রকাশের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই ধারায় বলা হয়েছে, প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ তাদের গৃহীত সিদ্ধান্ত ও প্রস্তাবিত কার্যাবলি বিভিন্ন মাধ্যমে জনগণের কাছে প্রকাশ এবং প্রচার করবে। কোন কর্তৃপক্ষই এই আইনের মাধ্যমে প্রদেয় কোন তথ্য গোপন করবে না। প্রতি বছরেই তারা তাদের সার্বিক কার্যাবলির উপর একটি বাত্সরিক প্রতিবেদন প্রকাশ করবে। সেই প্রতিবেদনে তাদের সাংগঠনিক কাঠামো, কার্যাবলি, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দায়িত্ব, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ও সিদ্ধান্তের বিবরণ, সংশ্লিষ্ট সকল আইন, অর্ডিন্যান্স, বিধিমালা, প্রবিধানমালা, প্রজ্ঞাপন, নির্দেশনা, ম্যানুয়াল ইত্যাদিসহ সকল তথ্য প্রকাশ করা হবে। নাগরিকগণ কীভাবে কোন লাইসেন্স, পারমিট, গ্রান্ট, অনুমোদন কিংবা প্রদত্ত সেবাসমূহ পাবেন সেগুলোর পরিষ্কার বিবরণী প্রকাশ ও প্রচার করতে হবে। রাষ্ট্রীয় কার্যাবলির উপর সকল নাগরিকের নজরদারি করার এই গণতান্ত্রিক অধিকার স্থাপনের আইনটি প্রয়োগের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জনগণের তথ্য চাওয়ার প্রবণতা ধীর গতিতে হলেও ক্রমশ:বেড়ে চলছে। একই সাথে কর্তৃপক্ষসমূহেরও তথ্য দেয়ার হার বাড়ছে। অর্থাত্ বাংলাদেশে তথ্য গোপনের সংস্কৃতি ভেঙে ধীরে ধীরে তথ্য প্রকাশের সংস্কৃতি গড়ে ওঠতে শুরু হয়েছে। শুরুতে সরকারি অনেক কর্তৃপক্ষ জনগণের তথ্য জানতে চাওয়াকে বিব্রতকর মনে করলেও ক্রমেই তারা তথ্য প্রদানের বিষয়টিকে মেনে নিয়ে তথ্য প্রকাশের দিকে এগোচ্ছেন। তবে অনেকেই বলছেন, জনগণ তথ্য আবেদন করে তাদের কাজ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। এ ব্যাপারে বলা যায় যে, তারা যদি তথ্য অধিকার আইনে প্রদত্ত স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশের পথ অবলম্বন করেন ও তাদের কার্যাবলি সংক্রান্ত সার্বিক তথ্য প্রকাশের ব্যবস্থা নেন তাহলে জনগণ বিনা আবেদনেই তাদের কাঙ্ক্ষিত অনেক উত্তর পেয়ে যাবে এবং তার জন্যে কর্তৃপক্ষের কাছে আর আবেদন করতে হবে না। আর এসব তথ্য প্রকাশের ফলে জনমনে কর্তৃপক্ষের সেবাপরায়ণতা, দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহিতার ব্যাপারেও স্পষ্ট ধারণা তৈরি হবে। বস্তুত, এই আইনের ফলে রাষ্ট্রের সর্বক্ষেত্রে স্বচ্ছ কর্মকান্ড পরিচালনা ও জনবান্ধব সরকার ব্যবস্থা গড়ে তোলার একটা সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। দেশের মহানগরগুলোতে নাগরিক সেবার কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে সিটি কর্পোরেশন। সিটি কর্পোরেশন মূলত:নগরে অবস্থিত বিভিন্ন সেবাপ্রদানকারী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সৃষ্টির দায়িত্বও পালন করে। বছরব্যাপী তাদের দৃশ্যমান নানামুখি কর্মকাণ্ড রয়েছে। তবে সিটি কর্পোরেশনের গৃহীত কার্যাবলীর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা এবং নাগরিকদের চাহিদা ও দাবি পূরণে কর্পোরেশনের সংবেদনশীলতা সম্বন্ধে নাগরিকদের মনে নানাবিধ প্রশ্ন স্বভাবিকভাবেই দেখা দেয়। এ ব্যাপারে রিসার্স ইনিশিয়েটিভস্, বাংলাদেশ (রিইব) গত বছর একটি গবেষণা প্রকল্প হাতে নেয়। ‘‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের স্বপ্রণোদিত তথ্য প্রকাশ’’ শীর্ষক গবেষণাটি পরিচালিত হয় ২০১২ সনের সেপ্টেম্বর থেকে ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত। গবেষণাটির ফলাফল প্রকাশের জন্য গত ১৩ মে ২০১৩ তারিখে সিরডাপ মিলনায়তনে একটি সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে বাংলাদেশের প্রধান তথ্য কমিশনারসহ অন্য অনেক কর্মকর্তা, সুধীসমাজের প্রতিনিধিবর্গ, গণমাধ্যম কর্মী ও নাগরিক প্রতিনিধিবর্গ অংশ নেন। সেমিনারে কর্পোরেশনের কার্যাবলির ব্যাপারে তাঁদের অনেক সুচিন্তিত ধারণা ও মতামত উঠে আসে। তাঁরা অনেকেই মনে করেন যে, গবেষণালব্ধ সকল তথ্য-উপাত্ত এবং নাগরিক মতামত কর্পোরেশনের সাথে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থীদের জানা অত্যন্ত জরুরি। কর্পোরেশনের আইন অনুযায়ী, কর্পোরেশন সারা বছর যেসব কার্যাবলি বাস্তবায়ন করে সেগুলোর প্রতিবেদন বছর শেষে প্রকাশ করবে। উক্ত প্রতিবেদনের কপি সরকারের কাছে পাঠানোর পাশপাশি নাগরিকদের জন্যে উন্মুক্ত স্থানে রাখতে হবে। কর্পোরেশনের যে ১৪টি স্থায়ী কমিটি রয়েছে তাদের কার্যাবলি নাগরিকদের জানাতে হবে, কমিটির মাসিক সভাগুলোর কার্যবিবরণী ও সিদ্ধান্তসমূহ যথাযথভাবে লিপিবদ্ধ করতে হবে, এবং সেগুলো নাগরিকদের জন্যে উন্মুক্ত রাখতে হবে। উক্ত সভাসমূহ নাগরিকদের জন্যে উন্মুক্ত থাকবে, অর্থাত্ কোন নাগরিক চাইলে সভায় অংশ নিতে পারবেন। আইন অনুযায়ী, বছরের শেষে অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষার পর উক্ত হিসাব বিবরণী ও নিরীক্ষা প্রতিবেদন জনগণের জন্যে উন্মুক্ত রাখতে হবে। কর্পোরেশনের আইনের ধারা অনুযায়ী, নাগরিকদের যে কোন তথ্য পাওয়ার অধিকার আছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, নাগরিক হিসেবে আমরা ক’জন তা জানি বা এই অধিকার কাজে লাগাই? আইন অনুযায়ী কর্পোরেশনের প্রতি বছর নাগরিক সনদ প্রকাশের কথা। এই সনদে নাগরিকরা কী কী সেবা পাবেন, সেবার মূল্য, সেবা পেতে হলে কী করতে হবে, কত দিনের মধ্যে সেবা প্রদান করা হবে, সেবা প্রদানের নিশ্চয়তা, সেবা সংক্রান্ত কোন অভিযোগ থাকলে তা নিষ্পত্তি এবং প্রদত্ত সেবা যথাসময়ে ও যথাযথভাবে না দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হবে ইত্যাদি বিষয়ে বিস্তারিত বিবরণ সনদে লেখা থাকতে হবে। সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ওয়েবসাইটে কর্পোরেশনের কী কী কাজ তার সংক্ষিপ্ত বিবরণ আছে, কিন্তু কর্পোরেশনে কী কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, কী কী কাজ করছে বা করবে, কোথায় করছে বা করবে, কিভাবে করছে বা করবে, কিংবা সেসব প্রকল্পের জন্যে বাজেট কত ইত্যাদির উপর হালনাগাদ কোন তথ্য প্রকাশ করা হয় না। তারা আরো বলেন, কর্পোরেশনের তথ্য-উপাত্ত, প্রতিবেদন, পরিকল্পনা, আয়-ব্যয়ের হিসাব ও বাজেট ইত্যাদি প্রকাশ ও প্রচার করা কথা থাকলেও সেগুলো কর্পোরেশনের উন্মুক্ত কোন জায়গায় পাওয়া যায় না বা সেগুলো কেনারও সুযোগ নেই। কার্যতঃ, জনগণের অংশগ্রহণ ও তথ্যপ্রাপ্তির দিক থেকে সিটি কর্পোরেশনের চেহারা একটি স্থানীয় সরকারের মতো নয়, বরং এটি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের একটি শাখা অফিসের মত কাজ করে, যা স্থানীয় সরকারের মূল ভাবনা ও রূপরেখার সাথে মেলে না। নাগরিকদের অভিমত হলো, কখন কোন্ ট্যাক্স দিতে হবে, তা না দিলে কী শাস্তি প্রযোজ্য হবে ইত্যাদি বিষয়ে মাইকিং কিংবা প্রচার ও দু’এক বছরে মশার স্প্রে করা হলেও, কর্পোরেশন নগর উন্নয়নে কী প্রকল্প নিয়েছে, নাগরিকদের জন্যে কী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে, কিংবা কোন্ ওয়ার্ডের জন্যে কত কত টাকার কী প্রকল্প প্রণয়ন করেছে বা বাস্তবায়ন করবে, সেসব বিষয়ে কোন তথ্য প্রচারে কর্পোরেশনের তেমন আগ্রহ দেখা যায় না। ওয়ার্ডগুলোতে কমিশনারগণ কী করতে যাচ্ছেন, কিংবা কর্পোরেশনের সভায় ওয়ার্ডবাসীদের জন্যে তারা কী আলোচনা করলেন বা কী সিদ্ধান্ত নিলেন সে ব্যাপারেও নাগরিকগণ কোনকিছু জানতে পারেন না বলে সেমিনারে মত প্রকাশ করা হয়। গবেষণা প্রতিবেদনে প্রকাশ করা হয়, কর্পোরেশনের সেবা ও কার্যাবলি সম্পর্কে নাগরিকদেরও সচেতনতা কম, এবং কর্পোরেশন কিংবা এর জোনাল কিংবা ওয়ার্ড অফিসে গিয়ে নানাবিধ সেবা ও উন্নয়ন কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য-উপাত্ত জানতে চাওয়ার ব্যাপারেও তাদের আগ্রহ কম। তবে, নাগরিকদের অংশগ্রহণ ও কর্পোরেশনের তথ্য প্রকাশ এ দুইয়ের মধ্যে ইতিবাচক সম্পর্ক বিদ্যমান। সুশাসন ও উন্নয়নের লক্ষ্যে কর্পোরেশন স্বেচ্ছায় ও আইনসম্মতভাবে তথ্য প্রকাশের ব্যবস্থা করলে কিংবা নাগরিকদের জানার সুযোগ দিলে, কর্পোরেশনের ব্যাপারে নাগরিকদের সচেতনতা ও অংশগ্রহণের মাত্রাও বৃদ্ধি পাবে। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে যে, কর্পোরেশনের নিজস্ব আইনের বিভিন্ন ধারা ও উপধারায় কর্পোরেশনের তথ্য-উপাত্ত ও হিসাবপত্রকে বিশেষ শ্রেণিভুক্ত করার যে সুযোগ আছে, তার মধ্যে নাগরিকদের কাছ থেকে তথ্য গোপন করার সুযোগও রয়ে গেছে, যা তথ্য অধিকার আইনের পরিপন্থি। বাংলাদেশ সরকার যদি স্থানীয় সরকার হিসেবে কর্পোরেশনের জন্যে প্রণীত আইনকে যথাযথভাবে কার্যকর করে নাগরিকদের কাছে যাবতীয় তথ্য-উপাত্ত প্রকাশের নির্দেশনা দেন, তাহলে তাদের কাছে সরকারের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে। আর নাগরিকদের সচেতনার সাথে তাল মিলিয়ে কর্পোরেশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণও তাদের নিজস্ব আইন ও বিধি-বিধানকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার প্রতি যত্নশীল হলে নগর কর্তৃপক্ষ হিসেবে তাদেরও সুনাম বাড়বে। দেশের সিটি কর্পোরেশনগুলোর নির্বাচন আসন্ন। বিগত জাতীয় নির্বাচনে বর্তমান সরকারি দল যেমন তাদের ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়া ও স্থানীয় সরকারকে শক্তিশালী করবে বলে অঙ্গীকার করায় বিরাট জনসমর্থন পেয়েছিল, তেমনি সেই সুযোগটি কর্পোরেশনের সম্ভাব্য মেয়র ও কমিশনার পদপ্রার্থীগণও নিতে পারেন। প্রার্থীদের মনে রাখতে হবে যে, কর্পোরেশনের কর্ম-পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও প্রকল্প প্রণয়ন প্রক্রিয়া এবং গৃহীত উন্নয়ন প্রকল্পে নাগরিকদের অংশগ্রহণের সুযোগের অভাব সিটি কর্পোরেনের মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে। যেসব আইন-কানুন ও প্রকল্প নাগরিকদের জন্যে প্রণীত এবং যেসব সিদ্ধান্ত নাগরিকের জীবনকে প্রভাবিত করে সেসব বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য জানা না থাকলে নাগরিকগণ কর্পোরেশনের কাজে উত্সাহ দেখাতে পারেন না, ফলে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠাও ব্যাহত হয়। স্থানীয় সরকার হিসেবে কর্পোরেশনকে শক্তিশালী হতে হলে তথা কর্পোরেশনকে সত্যিকার অর্থে নাগরিকদের প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে হলে কর্পোরেশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্বন্ধে জনগণকে স্বচ্ছ ধারণা দিতে হবে এবং কর্পোরেশনের নিজস্ব আইন ও বিধি-বিধানগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল নাগরিকের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনে সম্ভাব্য প্রার্থিগণ কর্পোরেশনের কাজের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা স্থাপনের ব্যাপারে যত্নশীল হবেন। তাঁরা নাগরিকদের স্বার্থে কর্পোরেশনকে জনবান্ধব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তুলতে যাবতীয় সেবা কার্যাবলি ও প্রশাসনিক কাজের তথ্য স্বেচ্ছায় প্রকাশ সংক্রান্ত আইনি ধারাগুলোর উপর জোর দেবেন। স্বেচ্ছায় তথ্য প্রকাশসহ সকল কাজে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠা করার অঙ্গীকার যেসব প্রার্থীর নির্বাচনী ইশতেহারে স্থান পাবে, তাঁরাই তথ্য অধিকার আইনের প্রতি যত্নশীল হিসেবে বিবেচিত হয়ে সচেতন নাগরিকের সমর্থন পাবেন বলে প্রত্যাশা করা যায়। লেখকদ্বয় : রিসার্স ইনিশিয়েটিভ, বাংলাদেশ