জয়ে শুরু শেখ রাসেলের

শেখ রাসেলের জয়টা আরো বড় হতে পারত। কিন্তু বিপক্ষ ডিফেন্ডার মওদুদ আহমেদ বাদ সাধায় দু’বারই গোল লাইন থেকে ফিরে আসে বল। তাই আফসোসে ফেটে পড়েন এমিলি। কারণ তারই দু’টি হেড গোলের দেখা পায়নি। শেষ পর্যন্ত এমিলি গোল না পেলেও দ্বিতীয়ার্ধের দুই গোলে ফেনীর সকার ক্লাবকে পরাজিত করেছে শেখ রাসেল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে গ্রামীণফোন সুপার কাপ ফুটবলের উদ্বোধনী ম্যাচে শেখ রাসেলের পক্ষে গোল দুটি করেন নাহিদুল ইসলাম ও জাহিদ। নগদ ৫০ লাখ টাকা পুরস্কারের শিরোপাটির সন্ধানে অভিযানে নেমে ‘এ’ গ্রুপের প্রথম খেলায় পেশাদার লিগ চ্যাম্পিয়ন শেখ রাসেলকে সমস্যায় ফেলতে পারেনি দুর্বল সকার ক্লাব। অবশ্য ১৯ ও ৩১ মিনিটে দুইবার এমিলির হেড ফিরাতে পেরে আত্মবিশ্বাস বেড়ে গিয়েছিল তাদের। দিন শেষে অভিজ্ঞতার কাছে হার মানতেই হলো ফেনীর দলটিকে। আগের দুটি আসরের চাইতে ব্যতিক্রম ঘটিয়ে এবার শুধু স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে আয়োজিত সুপার কাপে এদিন শেখ রাসেলের কোচ মারুফুল হক তার বেঞ্চের খেলোয়াড়দেরও মাঠে নামান। মিঠুন চৌধুরীর বদলে সবুজ কুমার বিশ্বাস, এমিলির বদলে মাঠে নামেন সুমন। সেরা একাদশে ছিলেন গোলের ‘মিস মাষ্টার’ আনোয়ার। গত মাসের প্রথম দিকে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ শেষ হওয়ার কাল থেকে আবার মাঠে নামতে শুরু করলেন ফুটবলাররা। সকার ক্লাব প্রথমার্ধে একবার গোলের সুযোগ পেয়েছিল । বক্সের ভেতরে আকবর কবির রিদন তাড়াহুড়া করে শট নিতে গিয়ে বল বাইরে মারেন। গোলকিপার বিপ্লবকে বল ধরার জন্য হাতও বাড়াতে হয়নি। এরপর ৪৯ মিনিটে ম্যাচের বন্ধ্যাত্ব ঘুচান শেখ রাসেলের নাহিদুল। গোলটা হয়েছে ভাগ্যক্রমে। নাহিদুলের ক্রস সকারের ডিফেন্ডার শিমুলের পায়ে লেগে পোষ্টের কিনারা ছুঁয়ে জালে জড়ায় (১-০)। ৭৫ মিনিটে ফরোয়ার্ড জাহিদের দূরপাল্লার শট ঠেকাতে পারেননি সকারের হয়ে এদিন ভালো খেলা গোলকিপার মাসুদ রানা। রাসেলের দ্বিতীয় ম্যাচ মুক্তিযোদ্ধার বিরুদ্ধে আগামীকাল। একই দিনে প্রথম ম্যাচে আবাহনী খেলবে সকার ক্লাবের বিরুদ্ধে।