সীমিত পরিসরে ইভিএম ব্যবহার

দুই সিটিতে বিএনপি ও দুটিতে আওয়ামী লীগ বেশি ভোট পেয়েছে

দেশের চার সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সীমিতভাবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। এবারই চার সিটি কর্পোরেশনের হাতেগোনা কয়েকটি কেন্দ্রে প্রথমবারের মতো ইভিএমে ভোট দিয়েছেন রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও সিলেটের ভোটাররা। ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা চার সিটি কর্পোরেশনের দুটিতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত ও বাকি দুটিতে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা বেশি ভোট পেয়েছেন। রাজশাহী ও বরিশালে বিএনপি সমর্থিত এবং সিলেট ও খুলনাতে আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থীরা ইভিএমে ভোট গ্রহণ করা কেন্দ্রগুলোতে বেশি ভোট পেয়েছেন। রাজশাহীর সিটি কর্পোরেশনের ১৩৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে তিনটিতে ইভিএম ভোটগ্রহণ করা হয়। এসব ভোটকেন্দ্রে বিএনপি সমর্থিত মেয়র পদপ্রার্থী মো. মোসাদ্দেক হোসেন বুলবুল পেয়েছেন ২৩৭৯ ভোট। আওয়ামী লীগ সমর্থিত এ এইচ এম খায়রুজ্জামান লিটন (তালা) ভোট পেয়েছেন ২১৩৬ ভোট। আর বরিশাল সিটি কর্পোরেশন (বিসিসি) নির্বাচনে প্রথমবারের মতো ‘ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সাথে সাথেই ঐ দু’টি কেন্দ্রের ফলাফল জানিয়ে দেয়া হয়। ঐ দুই কেন্দ্রে ১৮ দল সমর্থিত প্রার্থী আহসান হাবিব কামাল পেয়েছেন ১ হাজার ৪৭৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শওকত হোসেন হিরন পেয়েছেন ১ হাজার ২৫৫ ভোট। অন্যদিকে খুলনার খালিশপুরে আট নম্বর ওয়ার্ডের পাঁচটি কেন্দ্রে ২১টি বুথে ৬ হাজার ২৩৭ জনের ভোট নেয়া হচ্ছে ইভিএমে। এসব ভোট কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ সমর্থিত তালুকদার আবদুল খালেক (তালা) পেয়েছেন ২ হাজার ৩৭১ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. মনিরুজ্জামান (আনারস) পেয়েছেন এক হাজার ৮৫৩ ভোট। সিলেট সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে তিনটি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) পদ্ধতিতে ভোট গ্রহণ করা হয়। এ কেন্দ্র তিনটির মধ্যে সিলেট রসময় হাইস্কুলে কামরান ৪৩১, আরিফ ৪৮২ এবং মদন মোহন কলেজের দুইটি কেন্দ্রে কামরান ২ হাজার ৮১টি এবং আরিফ ১ হাজার ২০২টি ভোট পান।