ইউনানী আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা সমৃদ্ধ করুন :প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রত্যেক ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিত্সকের দেশাত্মবোধ, শ্রম এবং নিজস্ব মেধা ও জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে চিকিত্সা বিজ্ঞানের এ শাখাকে সমৃদ্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এ ব্যাপারে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ডের পক্ষ থেকে পরিকল্পনা প্রস্তাব স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হলে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। গতকাল রবিবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ইউনানী ও আয়ুর্বেদিক বোর্ড আয়োজিত ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিত্সক সমাবেশের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, তার সরকার জনগণের আর্থ-সামাজিক অবস্থা বিবেচনা করে টেকসই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ্যালোপ্যাথি চিকিত্সার সাথে সমন্বয় করে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক, হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সা ব্যবস্থার উন্নয়নে যেসব পরিকল্পনা নিয়েছে তা বাস্তবায়ন করতে চায়। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ দেশের ঐতিহ্য, কৃষ্টি এবং সংস্কৃতি লালন এবং রক্ষায় সব সময়ই তত্পর এবং অগ্রণী ভূমিকা পালন করে একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালে তার সরকার দেশের ১৫টি জেলা হাসপাতালে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক এবং হোমিও প্যাথিক চিকিত্সক নিয়োগ দিয়ে সমন্বিত চিকিত্সার ধারা চালু এবং ২০০০ সালে জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিতে ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা, শিক্ষা, গবেষণার উন্নয়নের বিষয়টি সম্পৃক্ত করেছে। কিন্তু পরবর্তী সরকার ইউনানী-আয়ুর্বেদিক চিকিত্সা পদ্ধতির উন্নয়নে কোন পদক্ষেপ নেয়নি। ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সভাপতি রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী আফম রুহুল হক, আইন প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট কামরুল ইসলাম, বাংলাদেশ আয়ুর্বেদিক ওষুধ প্রস্তুতকারক সমিতির সভাপতি এ এফ এম ফখরুল ইসলাম মুন্সি, ইউনানী-আয়ুর্বেদিক বোর্ডের সদস্য ডা. হাকিম মো. ইউসুফ হারুণ ভুঁইয়া, বাংলাদেশ ইউনানী ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি সাইয়িদ আহমেদ সিদ্দিকী প্রমুখ।