বাংলাদেশের পোশাক খাতকে সহায়তা দিন
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৩, ২৩:০১
তৈরি পোশাক উত্পাদন ও রপ্তানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে একটি আকর্ষণীয় দেশ হিসাবে গড়ে তুলতে শান্তিতে নোবেল জয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস পোশাক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। এছাড়াও যেসব পোশাক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান এরই মধ্যে বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেছে তাদেরকে ফিরিয়ে আনতে তিনি একসাথে কাজ করার কথাও বলেন। জাপানের টোকিওতে গত ১১ থেকে ১৩ জুন অনুষ্ঠিত ‘কনজিউমার গুডস ফোরাম’র সম্মেলনে শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকটি পোশাক আমদানীকারক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে ড. ইউনূসের একান্ত বৈঠক হয়। ইউনূস সেন্টার গতকাল রবিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়।
সম্মেলনে ড. ইউনূস ছিলেন অন্যতম প্রধান বক্তা। বক্তৃতায় তিনি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পখাতের অবস্থা পর্যালোচনা করতে পোশাক আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদেরকে পৃথক বৈঠকের আমন্ত্রণ জানান। এ আমন্ত্রণে ড. ইউনূসের সাথে প্রধান নির্বাহীরা প্রায় এক ঘণ্টার একান্ত আলোচনায় বসেন। একান্ত এ বৈঠকে বাংলাদেশের জন্য তাদের সমর্থন অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এ সময় ড. ইউনূস পোশাক প্রস্তুতকারী প্রত্যেকটি দেশের জন্য পৃথক পৃথক ‘আন্তর্জাতিক নূন্যতম মজুরি’ এবং স্বতন্ত্র সামাজিক ব্যবসা কোম্পানির পরিচালনায় শ্রমিক কল্যাণ প্রোগ্রামের আওতায় ‘হ্যাপি ওয়ার্কারস’ ট্যাগ ব্যবহার সংক্রান্ত প্রস্তাব দুটি বিশদভাবে ব্যাখ্যা করেন। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তারা এ দুটি বিষয়ে তাদের আগ্রহ দেখান। এছাড়াও বাংলাদেশে পোশাক শিল্পের মাধ্যমে মহিলাদের ক্ষমতায়নে সামাজিক প্রভাব এবং একইসাথে দারিদ্র্য বিমোচনে উল্লেখিত বিষয় দুটির ওপর বৈঠকে তিনি সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ওয়াল মার্টের প্রেসিডেন্ট ও সিইও মাইকেল ডিউক, ইউনিক্লোর চেয়ারম্যান ও সিইও তাদাশি ইয়ানাই, পিক অ্যান্ড পে স্টোর লিমিটেডের চেয়ারম্যান গ্যারেথ আকেরম্যান, এওন কোম্পানি লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট মতোয়া ওকাদা, ক্যারিফোরের সিইও জর্জ প্লাসাট প্রমুখ।