সংসদ নির্বাচন ও অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ হতে হবে
প্রকাশ : ১৬ জুন ২০১৩, ২৩:০১
বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার হেদার ক্রুডেন শনিবার অনুষ্ঠিত চারটি সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি সিটি নির্বাচনের ধারাবাহিকতায় আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনও অংশগ্রহণ- মূলক, সহিংসতামুক্ত, স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু হবে বলে আশা প্রকাশ করেন।
তিনি বলেন, একটি জটিল সময়ে আগামী সংসদ নির্বাচন হবে। তাই এই নির্বাচনটি গুরুত্বপূর্ণ। টেকসই গণতন্ত্রের পথে অগ্রসর হতে এই নির্বাচনটি বড় সুযোগ হতে পারে। গতকাল রবিবার সকালে গণমাধ্যমে কূটনেতিক সংবাদদাতাদের সংগঠন-ডিক্যাব আয়োজিত ‘ডিক্যাব টক’ এ কানাডার হাইকমিশনার একথা বলেন। ডিক্যাব সভাপতি ইমরান আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক বশির আহমেদ সূচনা বক্তব্য রাখেন।
কানাডার হাইকমিশনার বলেন, এখন সরকার ও সব দলকে সংসদ নির্বাচনের সবচেয়ে ভাল উপায় খুঁজে বের করতে হবে। কারণ তারা সবাই চারটি সিটি কর্পোরেশনে একযোগে অংশ নিয়েছেন। বিএনপিকে আমরা বলেছি যে, তাদের নির্বাচনে অংশ নেয়া উচিত। আওয়ামী লীগকে বলেছি, এমন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা উচিত যাতে সব দল নির্বাচনে অংশ নেবে, জনগণ স্বাধীনভাবে স্বচ্ছন্দে ভোট দিতে পারবে। জাতিসংঘ মহাসচিবের বিশেষ দূতের ফর্মুলা অনুযায়ী দু পক্ষের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে ছোট টিম সংসদের ভেতরে ও বাইরে আলোচনা করবে- এমন কথা বলেছি। সমস্যার রাজনৈতিক সমাধান করতে হবে। সংবিধানের আওতায় বা সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছা যায়।
হেফাজতে ইসলাম সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি ধর্মনিরপেক্ষ দেশ। ধর্মনিরপেক্ষ নীতি অব্যাহত রাখা খুবই জরুরি। কিন্তু বাংলাদেশের ভবিষ্যত্ জনগণই নির্ধারণ করবে।
কানাডার আদালতে পদ্মা সেতু দুর্নীতির মামলা প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, যেকোন দুর্নীতির অভিযোগ কানাডায় খুবই গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হয়। এখন পদ্মা সেতুর দুর্নীতির তদন্ত চলছে। এ নিয়ে কোন মন্তব্য করা যাবে না।
হেদার ক্রুডেন গার্মেন্টস শিল্প প্রসঙ্গে বলেন, রানা প্লাজা ট্রাজেডির পর বাংলাদেশের সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে। কর্মক্ষেত্রে পরিবেশ উন্নয়ন, নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ এমন কিছু ব্যবস্থা নেয়া দরকার যাতে ক্রেতারা আস্থা ফিরে পায়। শ্রম আইন সংশোধনসহ আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।