শেয়ারবাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন

দেশের পুঁজিবাজারে কিছুটা মূল্য সংশোধন হয়েছে। টানা কয়েকদিন সূচকের ঊর্ধ্বগতির পর গতকাল সোমবার সূচকের সামান্য পতন ঘটেছে। তবে লেনদেন আগের দিনের তুলনায় বেড়েছে। শেয়ার বিক্রির চাপে প্রধান বাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) নতুন সূচক ডিএসইএক্স কমেছে প্রায় ১৪ পয়েন্ট। প্রায় ৪৯ ভাগ কোম্পানিরই দর কমেছে। অপর বাজার চিটাগাং স্টক একচেঞ্জেও (সিএসই) সূচক কমেছে। সেখানে সাধারণ সূচক কমেছে ১৫ পয়েন্ট। বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, সকালে বেশিরভাগ কোম্পানির দর বৃদ্ধি দিয়ে লেনদেন শুরু হয়। বেলা এগারোটার দিকে আগের দিনের চেয়ে সূচক ৭০ পয়েন্ট বেড়ে যায়। পরক্ষণেই তা কমতে থাকে। আবার বেড়ে তা ১১টা ৫৫ মিনিটে ৪ হাজার ২৫০ পয়েন্টে দাঁড়ায়। এরপর আবারো সূচকের তীর নিচে নামতে থাকে। দিনভর উঠা-নামার পর ডিএসই’র নতুন সূচক আগের দিনের চেয়ে ১৪ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ১৬৬ পয়েন্টে। সেখানে সাধারণ সূচক ১২ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ৪ হাজার ৩৭৪ পয়েন্টে। একইভাবে নতুন বাছাই সূচক ডিএসই-৩০ সূচক ১০ পয়েন্ট কমে দাঁড়ায় ১ হাজার ৫২৬ পয়েন্টে। মোট ৮২১ কোটি টাকার শেয়ার ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের হাত বদল হয়েছে, যা আগের দিনের চেয়ে প্রায় ৭ কোটি টাকা বেশি। ডিএসইতে হাত বদল হওয়া ২৮৯টি কোম্পানি ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডের মধ্যে দাম বেড়েছে ১২৭টির, কমেছে ১৪২টির এবং অপরিবর্তিত ছিল মোট ২০টির দর। লেনদেনের সেরা স্থান দখল করেছে জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতের কোম্পানিগুলো। খাতটির সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ ১১৬ কোটি ১৮ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ১৪ দশমিক ২০ ভাগ। এরপরেই রয়েছে তালিকাভুক্ত বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলো। এই খাতটির সম্মিলিত লেনদেনের পরিমাণ ৯৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ১১ দশমিক ৯৫ ভাগ। লেনদেনের তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে ওষুধ ও রসায়ন খাত। খাতটির সার্বিক লেনদেনের পরিমাণ ৭৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ৩৭ ভাগ। এরপরেই ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক খাত ও মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলোর উভয়েই বাজারে মোট ৬৭ কোটি টাকার লেনদেন করেছে, যা মোট লেনদেনের প্রায় ৮ দশমিক ২২ ভাগ।