ফুটবলারদের ফিটনেস দেখে হতাশ কোচ
প্রকাশ : ১৭ জুন ২০১৩, ২২:৩১
গতকাল পর্যন্ত সুপার কাপ ফুটবলের খেলাগুলো দেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের কোচ লুডভিক ডি ক্রুইফ। এই দেখা থেকে তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মূল্যায়ন হল, খেলোয়াড়দের ফিটনেসের অনেক ঘাটতি আছে। এই মূল্যায়ন নিয়েই আজ রাতে ফিরে যাচ্ছেন চুক্তি সই করতে বাংলাদেশে আসা কোচ। আগামী ১ জুলাই থেকে জাতীয় দলের দায়িত্ব নেবেন তিনি।
চুক্তি সই করা ছাড়া কোচ ও তার সহকারী রেনে কস্তারের এবারের সফরের আরেকটা লক্ষ্য ছিল, সুপার কাপ দেখা। উদ্দেশ্য সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের জন্য খেলোয়াড় বাছাই করা। সুপার কাপে অনেক বেশি দেশি খেলোয়াড় দেখার সুযোগ পাওয়ায় বেশ খুশি কোচ ক্রুইফ, ‘সুপার কাপে বিদেশি ফুটবলার না থাকায় ভালোই হয়েছে। আমি বিদেশি ফুটবলারদের বিরুদ্ধে নই। তবে আপাতত এই টুর্নামেন্টে বিদেশি ফুটবলার না থাকায় আমার দেশি খেলোয়াড়দের বুঝতে সহজ হয়েছে।’
পুরো টুর্নামেন্টে ৩৫ ফুটবলার কোচের চোখে পড়েছে। তবে তাদের নাম প্রকাশ করেননি তিনি। শুধু জাতীয় দলের জন্যই নয়; ক্রুইফ অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল দলের জন্যও কিছু খেলোয়াড় তালিকাভুক্ত করেছেন।
এই পুরো প্রক্রিয়ায় খেলোয়াড়দের ফিটনেস নিয়ে সবচেয়ে বেশি চিন্তিত কোচ। ফিটনেসের প্রচণ্ড ঘাটতি তার চোখে পড়েছে। সাফের আগে খেলোয়াড়দের শতভাগ ফিটনেস রাখতে দলে একজন ফিটনেস ট্রেনার আনতে চান ক্রুইফ।
এ ব্যাপারে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাহউদ্দিনের সাথে তার আলোচনা হয়েছে বলেও জানালেন। বাফুফে সভাপতি জাতীয় ফুটবল দলের স্বার্থে প্রয়োজনীয় যা করা দরকার করতে নির্দেশ দিয়েছেন। ক্রুইফ বলেছেন একজন ফিটনেস ট্রেনার আনবেন হল্যান্ড থেকে। কিন্তু এখনই তার নাম বলতে পারছেন না।
ফিটনেস ট্রেনারের পাশাপাশি ক্রুইফ জাতীয় দলের অনুশীলন ম্যাচ নিয়েও আগ্রহী। সালাহউদ্দিন আগেই বলেছেন, তিনি একটু শক্তিশালী দেশের বিপক্ষে অনুশীলন ম্যাচ খেলায় আগ্রহী। কিন্তু ডাচ কোচ এর পক্ষে নন বলে মনে হচ্ছে। কারণ তিনি চাইছেন ফিফার র্যাংকিংয়ে ১০০ থেকে ১৬০ নম্বরে যেসব দেশ রয়েছে তাদের সাথে খেলবেন।