আমাদের ক্যাম্পাস

২০০৪ সালে ঢাকাস্থ ডিপ্লোম্যাটিক জোন গুলশানে আত্মপ্রকাশ ঘটে দেশের এই প্রথম ডিজিটাল ও আইএসও কোয়ালিটি সনদপ্রাপ্ত স্কুল এন্ড কলেজ ‘ক্যামব্রিয়ান’। কলেজ কিংবা স্কুল, উভয় পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্যই তারা যোগ করেছে নতুন মাত্রা, সেটি যেমন তথ্য-প্রযুক্তিভিত্তিক আধুনিক ও নান্দনিক শিক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে, তেমনি সৃজনশীল শিক্ষায়। এখানে বাংলা ও ইংরেজি ভার্সনে শিশু শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি অবধি পড়ানো হয়। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং রবীন্দ্র ও নজরুল গবেষক ড. করুণাময় গোস্বামী এর অধ্যক্ষ। ৭০০০ ছাত্র-ছাত্রীর এই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন ৭৫০ জন শিক্ষক। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার লায়ন এম. কে. বাশার পিএমজেএফ ও তার সহ-যোদ্ধাদের অটুট লক্ষ্যমাত্রা, যুগোপযোগী পাঠ পরিকল্পনা তথা কঠোর শ্রম-সাধনার প্রতিফলন দীপঙ্কর পাল ১০ম শ্রেণি আমাদের স্কুলে কেবল গ্রন্থনির্ভর পুঁথিগত মুখস্ত বিদ্যা নয়, লেখাপড়ার পাশাপাশি মানসিক ও আত্মিক বিকাশের জন্য এখানে রয়েছে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রম। যেমন- নৃত্য, গান, কবিতা আবৃত্তি, চিত্রাঙ্কন, বিতর্ক প্রতিযোগিতা, কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত, ত্রিপিটক পাঠ ইত্যাদি। কাজের ব্যাপ্তির কারণে এখানে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ক্যামব্রিয়ান কালচারাল একাডেমি। --- জোনায়েদ আহম্মেদ ৯ম শ্রেণি আমাদের আছে প্রযুক্তি সমৃদ্ধ আধুনিক শ্রেণিকক্ষ। সর্বোচ্চ ৩০-৪০ জনের শ্রেণি কক্ষের প্রত্যেকটিতে রয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর ও স্মার্ট বোর্ড। সবচেয়ে আনন্দের বিষয় এই যে, আমাদের ক্যাম্পাসটি সম্পূর্ণ ডিজিটাল। যেখানে প্রস্তুত হচ্ছে সিসিমপুরের আদলে আরো আধুনিক শিক্ষামূলক ডকুমেন্টারি, শিক্ষামূলক কার্টুন, নাটক, সিনেমা ইত্যাদি। --- মো: আসিকুল ইসলাম ৮ম শ্রেণি আমাদের এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনাটা যতটা না পরীক্ষার জন্য তারচেয়েও বেশি বরং বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা তথা সৃজনশীলতা বিকাশের লক্ষ্যেই। বিশেষ করে প্রত্যেকটি চ্যাপ্টারকে ধীর স্থিরভাবে বুঝিয়ে আগা-গোড়া পড়ানো শেষ হলেই কেবল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তাই পরীক্ষা সামনে বিধায় এখানে মাত্রাতিরিক্ত কোন চাপ নেই। ফলে পরীক্ষাটা এখানে কোন ভীতি নয়। --- মো: আদনান সিকদার ৭ম শ্রেণি আমাদের স্কুলে প্রতি ১০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১ জন গাইড শিক্ষক রয়েছেন। যিনি খুব নিকটে থেকে আমাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করে থাকেন। আমাদের প্রতি ক্লাসের জন্য একজন শ্রেণি শিক্ষক নির্ধারিত থাকেন। তিনিই ক্লাসের বিভিন্ন সমস্যাগুলোর সমাধান দিয়ে থাকেন। আমাদের সাধারণ ক্লাসের পর কোচিং-এর বিকল্প হিসেবে এসএসপি বা ফিডব্যাক ক্লাসের সুবিধা দেয়া হয়। --- জসীম আহাম্মেদ ৬ষ্ঠ শ্রেণি ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ আমাদের গর্ব। আর এই গর্ব যেমন মেধা ও প্রযুক্তিভিত্তিক শিক্ষায়, তেমনি ঈর্ষণীয় ফলাফলেও। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সেরা ২০ প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অন্যতম এই কলেজ। ফলাফল পরিসংখ্যান হচ্ছে- ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, ২০১০, ২০১১ ও ২০১২ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় সর্বাধিক সাফল্যের ভিত্তিতে মেধা তালিকায় স্থান অর্জন। ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ লায়ন এম. কে. বাশার প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পৃথিবীর সর্বোন্নত বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে কাজ করার সুবাদে খুব কাছ থেকে তাদের শিক্ষার মান, সেখানে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার, বিশেষ করে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে কিভাবে এগিয়ে নিতে হয় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও পাঠ্যকে, তার অনেক কিছুই আমার দেখার সুযোগ হয়েছে। ফলে আমি স্বপ্ন দেখেছি এবং উদ্যোগ নিয়েছি নিজ দেশে সে মানের স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার। আর এই স্বপ্নের বাস্তবায়নই আজকের ক্যামব্রিয়ান স্কুল এন্ড কলেজ। প্রক্রিয়াধীন আছে ক্যামব্রিয়ান বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার কাজ। ডিজিটাল ক্যামব্রিয়ানের নব্য এ জগতে শিক্ষার্থীরা যাতে সহজ-সাবলীলভাবে বিচরণ করতে পারে, সেজন্য প্রথমেই তৈরি করা হয়েছে ডিজিটাল ক্যামব্রিয়ান নামক একটি সাবলীল সফটওয়্যার।