গরমে উদ্ভট কাজকারবার

 

লেখা সুদিপ্ত কুমার নাগ   আঁকা রবিউল ইসলাম সুমন

 

কয়েকদিন যাবত প্রচণ্ড গরমে সারাদেশের মানুষ কষ্টে আছে। আর গরমের কষ্টকে নিয়ে মজা করে বিভিন্ন ব্যক্তি যদি উদ্ভট কাজকারবার করত, তাহলে সেসব কেমন হতো, তা জানাচ্ছেন গরমে সিদ্ধ হওয়া একজন অলস লেখক—

তুই তো ছাত্রজীবনেও লেখাপড়া ঠিকমতো করতি না। ক্লাস বাদ দিয়ে হলে থেকে সারাদিন ঘুমাইতি। এখন সারাদিন লাইব্রেরিতে পড়ালেখার জন্য থাকিস কেন?

লাইব্রেরিতে এসি আছে। এই গরমে আরামে থাকার একমাত্র উপায় হলো লাইব্রেরি। সারাদিন ফ্রিতে এসির হাওয়া খাওয়া যায়, আবার সবাই ভাবে আমি অনেক লেখাপড়া করি।

স্যার, আজকে আপনি হাফপ্যান্ট আর স্যান্ডো গেঞ্জি পড়ে অফিসে এসেছেন কেন?

কথায় আছে না, গরমের নাই শরম। এই গরম থেকে বাঁচার জন্য সুযোগ থাকলে শুধু আন্ডারপ্যান্ট পড়ে অফিসে আসতাম।

আমি বসকে দশ হাজার টাকা ঘুষ দিলাম, তারপরও সে আমার ফাইল সই করল না। কিন্তু আপনি মাত্র ১৫ টাকা ঘুষ দিয়ে ফাইল সই করালেন কিভাবে?

আমি ১৫ টাকা দিয়ে ঠাণ্ডা পানির একটা বোতল কিনে বসকে দিয়েছি। এই গরমে ঠাণ্ডা পানির বোতলের মতো বড় মাপের ঘুষ পেয়ে বস আমার ফাইল সই করে দিয়েছে।

আপনি ইত্তেফাক পেপার না পড়ে শুধু ঠাট্টা হাতে নিয়ে বসে আছেন কেন?

কারণ ঠাট্টা দিয়ে সহজে বাতাস করে হাওয়া খাওয়া যায়। এটা কিন্তু গরম থেকে স্বস্তি দেওয়ার জন্য সাধারণ জনগণের জন্য একদম ফ্রিতে পাখা হিসেবে কাজ করতেছে। ঠাট্টাকে এজন্য শান্তিতে নোবেল দেওয়া উচিত।