নির্বাচন নিয়ে অস্বস্তিতে বিসিবি

প্রায় সাতমাস আগে বিসিবির এডহক কমিটি দায়িত্ব পেয়েছে। গত বছরের ২৬ নভেম্বর দায়িত্ব বুঝে নেয়ার তিনমাসের মাথায় নির্বাচন দেওয়াই ছিল এই এডহক কমিটির প্রধান কাজ। কিন্তু গঠনতন্তের সংশোধনীতে আদালতের নিষেধাজ্ঞা থাকায় নির্বাচনও করা সম্ভব হচ্ছে না। এ অবস্থায় শঙ্কা তৈরি হয়েছে, আইসিসি নির্বাচন না করায় বাংলাদেশের সদস্যপদ নিয়ে কঠোর কোনো ব্যবস্থা নেয় কি না। সে শঙ্কা একেবারে উড়িয়ে না দিলেও বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন বলছেন, এ ব্যাপারে তারা আইনজীবীদের মতামত নিচ্ছেন। আগামী ২৬ জুন ইংল্যান্ডে আইসিসির বার্ষিক সাধারণ সভায় বিসিবির নির্বাচন নিয়ে কথা উঠতে পারে। কারণ, জেলা ও বিভাগীয় ফোরাম থেকে বিসিবির নির্বাচন প্রসংগে আইসিসির কাছে চিঠিও পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি বিসিবিকে ভাবাচ্ছে ঠিকই কিন্তু বোর্ড সভাপতি তার অসহায়ত্ব প্রকাশ করলেন, ‘আমার কাছে দুটি গঠনতন্ত্র আছে। ২০০৮ সালের গঠনতন্ত্র ও ২০১২ সালের গঠনতন্ত্র। আমাকে নির্বাচন করতে হলে গঠনতন্ত্র লাগবেই কিন্তু কোন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী আমরা নির্বাচন করবো? ২০১২ সালের গঠনতন্ত্র আদালতের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আবার কিন্তু আইসিসির গাইডলাইন অনুযায়ী ২০০৮ সালের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নির্বাচন করলে আমাদের সদস্যপদই খারিজ হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।’ গঠনতন্ত্র জটিলতায় যদি এডহক কমিটি নির্বাচন করতে না পারে তাহলে এভাবেই কি বোর্ডের কর্মকাণ্ড চলতে থাকবে? সেটা কী আইসিসি মেনে নেবে? বিসিবি সভাপতি এটা নিয়ে একটু সন্দিহান। অবশ্য তিনি একটা উপায়ের কথা বলেছেন, ‘আমরা লিগ্যাল মতামত নিয়েছি। ওরা (আইসিসি) আমাদের বলেছে খুব শীঘ্রই জানাতে পারে অবস্থার কথা। আইসিসিরও তো একটা বাধ্যবাধকতা আছে। সময় আছে, এর মাঝে একটা কিছু করতে চেষ্টা করছি।’