টেলিফোনে পাঠকের মতামত
‘বিষযুক্ত ফল বর্জন করুন’
প্রকাশ : ২০ জুন ২০১৩, ২২:২২
বিশেষজ্ঞদের মতে রাসায়নিক পদার্থযুক্ত মেশানো ফল ধীরে ধীরে লিভার, কিডনি অকেজো করে দিতে পারে। এসব রাসায়নিক হূদযন্ত্র র্দুবল করে দেয়। ফরমালিনযুক্ত খাদ্য নিয়মিত গ্রহণ করলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার এমনকি ব্লাডক্যান্সার হতে পারে। সুতরাং এ ব্যাপারে সরকারকে কঠোর আইন তৈরি করতে হবে।
খায়রুল ইসলাম (ফুল),
আরাপপুর, ঝিনাইদহ
ফরমালিনযুক্ত ফল-ফলাদিতে এখন বাজার সয়লাব। প্রভিট, ইডেন, ইথরেল প্রভৃতি রাসায়নিক ব্যবহার করে আমে হলুদ রং করা হচ্ছে। ফলে জনস্বাস্থ্য স্বভাবতই হুমকির মুখে পড়েছে। জনস্বাস্থ্যের স্বার্থে ফলমূলসহ খাদ্যপণ্য রাসায়নিকের ব্যবহার বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়া দরকার। এ ব্যাপারে গণসচেতনতা সৃষ্টির উদ্যোগ নিতে হবে।
লাডলা,
আজিমপুর, ঢাকা
আমরা জেনেশুনে সবসময় বিষ খাচ্ছি। মাছ থেকে শুরু করে তরিতরকারি ও ফলমূলসহ সব কিছুতেই বিষাক্ত কেমিক্যাল মেশানো হচ্ছে। এখন যে অবস্থা তাতে করে সবকিছু ছেড়ে দিতে হবে। তাহলে আমরা কী খেয়ে বাঁচবো? নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে মানুষ। মায়েরা বিকলাঙ্গ, অপরিপক্ব বাচ্চা জন্ম দিচ্ছে, এগুলো এখন দেখার আর কেউ নেই। তাই সরকারের উচিত এদিকে দৃষ্টি দেয়া। মাঝে মধ্যে আমরা মিডিয়াতে দেখি বিষযুক্ত খাবার নষ্ট করে দেয়া হচ্ছে। কিন্তু আবার সেই একই দৃশ্য দেখতে পাই। সরকারের উচিত আইন করে এগুলো যারা করে তাদের শাস্তির ব্যবস্থা করা।
তাহমিনা আক্তার মিনু,
ভাণ্ডারিয়া, পিরোজপুর
ফল একটি সুস্বাদু ও পুষ্টিকর খাদ্য। স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য রক্ষায় এর গুরুত্ব অপরিসীম। এ কথাগুলোকে পুঁজি করে নীতি বিবর্জিত হয়ে ফল ব্যবসায়ীরা মাঠে নেমেছেন। সারা বছর এ সমস্ত ফল পাওয়া যায় না বলে আমরাও একটি বিশেষ ঋতুতে হন্যে হয়ে ফলের পেছনে ছুটোছুটি করি। গত বছর কোন কোন কেমিক্যাল দিয়ে ফল পাকানো হয়েছে, তার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কী, কোন সময় ফল পরিপক্ব হয় এগুলো আমরা বেমালুম ভুলে যাই। তাই স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের উচিত প্রতিবছর দেশিফল পরিপক্ব হওয়ার আগে রেডিও-টেলিভিশনে জনসচেতনতামূলক বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা ও ফরমালিন ব্যবহারের ওপর কঠোর আইন প্রয়োগ করা। তাহলেই আমরা আমাদের অভ্যাসগুলো পরিবর্তন করতে পারবো।
সেলিনা রাহাত আরা,
গুলশান-১, ঢাকা-১২১২
আপেল, আঙ্গুর, নাশপাতি, আম ও কাঁঠালসহ অন্য ফল-ফলাদিতে, মাছ এবং সবজিতেও মেশানো হচ্ছে নানা ধরনের রাসায়নিক। আমাদের জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক এগুলো আজ খেতে হচ্ছে এবং অসুস্থতার দিকে যাচ্ছি। এ ব্যাপারে দেশের সকল জনগণকে অবশ্যই সচেতন থাকতে হবে।
হাসান মোহাম্মদ হোসাইন চৌধুরী,
কবিরহাট, নোয়াখালী
দেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের মানসিকতার যতদিন উন্নতি হবে না ততদিন পর্যন্ত দেশের সাধারণ মানুষকে এভাবে বিষ বা ফরমালিনযুক্ত খাবার বা ফল-ফলাদি খেয়ে মরতে হবে। অন্যদিকে দেশের রাজনীতিবিদরা যখন ব্যবসায়ে নেমে পড়েন তখন প্রশাসনের পক্ষে কোনকিছুই দমন কিংবা পালন করা সম্ভব হয় না। যেমনটি বর্তমানে হচ্ছে আমাদের দেশে। এখন দেশের বড় বড় রাজনীতিবিদরাই ব্যবসাজগত্ নিয়ন্ত্রণ করছে। যার ফলে প্রশাসনের পক্ষে কোনকিছুই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অতএব আমাদের ভাগ্যে মরণ ছাড়া আর কিছুই নেই।
মো. শহীদুর রহমান,
কাকিনা, লালমনিরহাট
ফলমূলে রাসায়নিকের মিশ্রণ আতঙ্কিত করে তুলেছে দেশের প্রতিটি সচেতন মানুষকে। আম, জাম, লিচু, কলা, পেঁপে, আনারস, পেয়ারা কিনতে গিয়ে ক্রেতারা আজ ভুগছেন নানা সংশয়ে। সুতরাং এ থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
জাহাঙ্গীর খান বাবু,
মুন্সীগঞ্জ, ঢাকা
মধুমাসে বাজারে নানা বাহারি মৌসুমি ফলের সমাহার মানুষকে যেমন প্রলুব্ধ করছে, তেমনই একইসঙ্গে আবার আতঙ্কিত করে তুলছে পুরো সমাজকে। সুতরাং এ ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি দিতে হবে।
নীলুফার আক্তার,
টোলারবাগ, মিরপুর, ঢাকা
বাজারে মৌসুমি ফলে যদি বিষ বা রাসায়নিকযুক্ত বিষ থাকে তাহালে অবশ্যই বর্জন করবো। কিন্তু কমবেশি হলেও মৌসুমী ফল খাওয়া দরকার। এক্ষেত্রে যাদের বাড়িতে ফলের গাছ নেই সে পরিবারগুলো বঞ্চিত হবে ফলের স্বাদ ও উপকারিতা থেকে। আমার বিশ্বাস প্রশাসন যদি আরো কঠিন হয় বিশেষ করে রাত ১০/১১টার পর ফলের আড়ত বা দোকানের ওপর নজরদারি বাড়ালে কিছুটা হলেও প্রতিরোধ হবে। যেহেতু ঐ সময় ওরা ঐ কাজগুলো করে থাকে।
আনোয়ার হোসেন,
কালিয়াকৈর, গাজীপুর
ফরমালিন বর্তমানে বাংলাদেশে সর্বজনস্বীকৃত একটি বিষের নাম। আর এর প্রভাবে শুধু ফল-মূলই নয় মাছ, গোশত, তরিতরকারি সবকিছুতেই ফরমালিন মিশ্রিত। ফরমালিনমুক্ত দেশ গড়ার চিন্তা নিয়ে আমার কিছু মতামত ১. প্রক্রিয়াকরণ কারখানা, ২. আড়ত, ৩. পাইকারি বাজারে মজুতকৃত মালামাল পরীক্ষা করার ব্যবস্থা নিতে হবে। ৪. দুধ থেকে আরম্ভ করে তরল জাতীয় খাদ্য পরীক্ষা করতে উপযুক্ত ও পর্যাপ্ত মেশিনারি বিদেশ থেকে আনতে হবে।
এম. মতিউর রহমান,
৫/১ আমিনাবাদ কলোনি,
সিদ্ধেশ্বরী, ঢাকা
বিষাক্ত ফল খাওয়া বন্ধ করুন, সুস্থ থাকুন। আম, লিচু, কাঁঠাল, আনারস, কলা, মাছ ও সবজিতে পচন ঠেকাতে মেশানো হয় বিষাক্ত রাসায়নিক। যা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর। এ সমস্ত ফল বা মাছ, সবজি খাওয়া আর বিষ খাওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। এ সমস্ত খেলে মানবদেহে ক্যান্সারসহ কিডনি, লিভার, পাকস্থলি, ও জটিল রোগে আক্রান্ত হবে। যা মৃত্যুর কারণ হতে পারে। গর্ভবতী মায়ের শিশু বিকলাঙ্গ হতে পারে। যারা খাবারে বিষ মিশাচ্ছে তারা মানুষের নীরব ঘাতক। এদেরকে মানুষ হত্যার দায়ে অভিযুক্ত করে বিচারের মাধ্যমে কঠিন সাজা দিতে হবে। সকলের দায়িত্ব হচ্ছে বিষযুক্ত খাবার বর্জন করা। অসত্ ব্যবসায়ীরা ফল ও বিষাক্ত খাবার বিক্রি করতে না পারলে এ পথ থেকে সরে আসবে। সরকারের দায়িত্ব বিষযুক্ত খাবার যাতে বাজারজাত করতে না পারে, সে দিকে সজাগ দৃষ্টি রাখা। জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকারক বিষ কঠোর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব সরকারের। বিষযুক্ত ফল, মাছ, সবজি ক্রয় থেকে বিরত থাকুন এবং সুস্থ থাকুন।
ডা. এস এম মাশারফ হোসেন
ঢাকা
জনস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে, বিষযুক্ত ফল বর্জনের ধারাবাহিক প্রতিবেদনটি অত্যন্ত সময়োপযোগী। প্রতিবেদনটির মধ্য দিয়ে কর্তৃপক্ষ অভিভাবকের ভূমিকা নিয়েছেন। এক মৌসুমে বিষযুক্ত তথা ফরমালিন মিশ্রিত ফল-ফলারি না খেলে তেমন কোন ক্ষতি হবে না। সকলেই যদি নিজ স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দিয়ে মৌসুমি ফল খাওয়া থেকে বিরত থাকি, তাহলে জাতির স্বাস্থ্য ক্ষতিকারক লুটেরা ব্যবসায়ী তথা হন্তারকদের পঙ্গু করা সম্ভব। অতি লোভী ব্যবসায়ীরা আমাদের নিরন্তর বিষ খাইয়ে পঙ্গু করে চলেছে। হত্যাকারীর সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। এই আইনি বিধান আমাদের দেশে রয়েছে। অথচ কোটি কোটি মানুষের স্বাস্থ্যহানি করে খুনি ব্যবসায়ীরা নিরাপদ দূরত্বে রয়েছে, এটা স্বাধীন দেশের জন্য অতীব লজ্জার। স্বাধীন দেশের নাগরিকরা স্বদেশের লুটেরা ব্যবসায়ীদের কাছে নিরাপদ নয়, এও কি ভাবা যায়? স্বাস্থ্যহীন জনগণ একটা পঙ্গু দেশের প্রতিচ্ছবি। এতদ্বিষয়ে আমাদের অভিমত হলো, সরকারের রাষ্ট্রীয় পরিচালনায় প্রথম ও প্রধান কাজ জনস্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখা। জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকারক দিক চিহ্নিত করে তা বন্ধের কর্যকরী ব্যবস্থা নেয়া। বিষযুক্ত খাদ্যপণ্যের মূলহোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা। প্রয়োজনে আরো কঠোর আইন প্রণয়ন করা। বিষমিশ্রিত পণ্য বিক্রেতাকে ঠাণ্ডামাথার খুনি হিসেবে বিবেচনায় নিয়ে বিচারিক কাজ আদালতের মাধ্যমে সম্পন্ন করা। যেহেতু স্বাস্থ্যহানির ঝুঁকিতে রয়েছে দেশ, সেহেতু ফরমালিন নামক এই বিষ আমদানিতে কঠোর নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা নেয়া। ভ্রাম্যমাণ আদালত যদি প্রমাণ পায়, ফল-ফলারি ও অন্যান্য খাদ্যসামগ্রীতে ফরমালিন নামের বিষ রয়েছে, তাহলে জরিমানার হার উঁচু দরের করতে হবে, যা বহন করার ক্ষমতা বিক্রেতার না থাকে, সেক্ষেত্রে জেলের ঘানি টেনে ও ভিটে মাটি বিক্রি করে পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হয়। সর্বোপরি বিক্রেতাকে পরীক্ষা করে প্রমাণ করে দিতে হবে, তার পণ্য ফরমালিন তথা বিষ মুক্ত এবং তা নতুন আইন প্রণয়নের মাধ্যমে চালু করা।
মুরাদ হোসেন
মধুখালী, ঝিকরগাছা,
যশোর
আম বাণিজ্যে বাংলাদেশে অর্থনীতি চাঙ্গা হচ্ছে। সারাদেশে এখন শুধু আম আর আম। বাগানে বাগানে হাটে-মাঠে শুধুই আম। বাজার থেকে এর মধ্যে গোপালভোগ ও মোহনভোগ বিদায় নিলেও তাদের স্থলাভিক্ত হয়েছে ল্যাংড়া, রানীপছন্দ, রাম গোপালী রাণীপ্রসাদসহ বিভিন্ন গাছের বাহারি নামে সুস্বাদু আম ও গাছ থেকে আম নামানো ও বাজারজাতকরণ ব্যস্ততার ফুরসত আম বাণিজ্যের সঙ্গে যুক্ত মানুষদের। আর আমের কল্যাণে এখন চাঙ্গা হয়ে উঠছে সারাদেশের অর্থনীতি। আমের কারবার নিয়ে ১ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। আমের উত্পাদন এ বছর ভালো। সারাদেশের রাজশাহী অঞ্চলে ৭৮% আম উত্পাদন হয়। বাকি ২২% দেশের অন্যান্য স্থানে উত্পন্ন হয়। প্রতিদিন ৪/৫ কোটি ঢাকার আম কেনা-বেচা হচ্ছে। আমরা যারা আম বাজারজাত করছি তাদের এখন উচিত হবে বিষমুক্ত ফল-মূল বাজারজাত করা। আর ক্রেতাদেরও উচিত হবে আমসহ বিষ মেশানো অন্যান্য ফল বর্জন করা।
ফারুক আহমেদ
বাগমারা, রাজশাহী
ফরমালিনযুক্ত ফল মানেই বিষ মাখানো ফল। আর এই বিষ মাখানো ফল বর্জন করা আমাদের একান্ত উচিত।
মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান মিণ্টু
মহাখালী, ঢাকা
বিষযুক্ত ফল জীবননাশের হুমকিস্বরূপ। বিষের ফলে বাজার সয়লাব । অনেক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে জনস্বাস্থ্য। তাই এ বিষয়ে এখনই ব্যবস্থা নেয়া উচিত।
মুন্সী মোহাম্মদ ওয়াহিদ উল্লাহ
মিরপুর ১, ঢাকা
নিধারিত সময়ের আগেই আমসহ অন্যান্য ফল পাকানো হয়। তাই এ ব্যাপারে সর্তক থাকা দরকার। সরকারকে এ ব্যাপারে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
জান্নাতুল ফেরদৌস
মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ
শেওড়াপাড়া, মিরপুর, ঢাকা
ফরমালিনযুক্ত ফল যাতে মানুষ না খায় সেজন্য মিডিয়ায় এর প্রচার করতে পারে।
শওকত সাদী
১৪ মোহাম্মাদিয়া মেইন রোড
মোহাম্মদপুর, ঢাকা
মুকুল থেকে শুরু করে গাছ থেকে পাড়ার আগ পর্যন্ত কয়েক দফায় আমে ওষুধ এবং কীটনাশক, কেমিক্যাল ও বিষ দেয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই আম পাকানো হচ্ছে। এটা খুবই দুঃখজনক বিষয়। তাই আমাদের উচিত বাজার থেকে বিষমুক্ত ফল খাওয়া।
আবুল হোসেন
ইলেট্রিক প্লাজা, মিরপুর,
ঢাকা
বর্তমানে কোন ফলই কেমিক্যাল থেকে রেহাই পাচ্ছে না। পাকাতে ও পচনরোধে অনেক রকম বিষাক্ত কেমিক্যাল এবং ফরমালিন মিশ্রিত পানিতে চুবানো হচ্ছে ফল। এই কেমিক্যাল মাখানো ফল খাওয়া আর বিষ খাওয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। আমাদের দেশে এখন ক্যান্সারসহ কিডনি ও লিভারের নানা মরণব্যাধি আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে আমসহ বিভিন্ন বিষাক্ত ফল খাওয়া। এটা অবশ্যই বর্জন করতে হবে। বিষযুক্ত ফল বর্জন করতে হবে। বিশেষ করে জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির মুখে। শিশুদের জীবন রক্ষায় টাকা দিয়ে বিষযুক্ত আম না খাওয়াই ভালো।
এস কে মোহাম্মদ রমিজউদ্দিন
মিরপুর, ঢাকা
বিষযুক্ত ফল অবশ্যই বর্জন করা দরকার। এ ব্যাপারে সরকার প্রশাসনের কোন নজর নেই।
ফারুক আলম
মালিবাগ, ঢাকা
বিষমুক্ত ফল খাওয়া মানেই সুস্থ থাকা আর বিষযুক্ত ফল খাওয়া মানেই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হওয়া। তাই আমসহ ফরমালিনযুক্ত ফল না খাওয়াই উত্তম।
শাহীন
ডিওএইচএস, মহাখালী, ঢাকা
ফরমালিনযুক্ত ফল গ্রহণ বা খাওয়া মানেই নিজের এবং পরিবারের জন্য হুমকিস্বরূপ। এতে করে বড়রাই নয় শিশুরাও মারাত্মকভাবে ঝুঁকির মধ্যে যায়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম নেয়ার কারণই কেমিক্যালযুক্ত ফলসহ অন্যান্য খাদ্যসামগ্রী।
সৈয়দা পারভীন সুলতানা
ঝিনাইদহ
অসময়ে আম পাকাতে ও দীর্ঘদিন সেটা রেখে বিক্রির জন্য কেমিক্যাল করা হয়। আমরা এখন জানি সাধারণ কেমিক্যালযুক্ত আম দেখতে চমত্কার লাগে। আবার অনেক ক্রেতা রং দেখে কেমিক্যাল মেশানো আম কিনে থাকেন। এ বিষয়ে সদাসতর্ক থাকতে হবে।
সোহাগ
ভাগলপুর লেন, নবাবগঞ্জ, ঢাকা
বিষমুক্ত ফল চাই আমরা। এজন্য সারাদেশব্যাপী স্লোগান তুলতে হবে। পাশাপাশি এটা বাস্তবায়নে এই আন্দোলনে সবাইকে একত্রিত হতে হবে।
শিশির
আজিমপুর, ঢাকা
জ্যৈষ্ঠ মাসের শুরুতে আম, কাঁঠাল ঠিকমতো পাকার কথা নয়। কিন্তু তার আগেই ঢাকায় ব্যবসায়ীরা নিয়ে আসে। রাসায়নিক দিয়ে পাকানো এই আম ক্রেতাদের শুধু প্রতারিতই করছে না, তাদের স্বাস্থ্যহানিরও আশঙ্কা সৃষ্টি করছে। সুতরাং ব্যবসায়ীদের এ ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট ব্যবস্থা নেয়া দরকার।
হোসনেআরা
এনায়েতগঞ্জ লেন, পিলখানা, ঢাকা
বিষযুক্ত ফল বর্জন করুন। বিষয়ক মতামত গ্রহণের জন্য বহুল প্রকাশিত দৈনিক ইত্তেফাককে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি। ফরমালিনযুক্ত ফল খাওয়া মানেই বিষ খাওয়া। সারাদেশে এখন বিষযুক্ত ফল-ফলাদিতে বাজার সয়লাব। এঅবস্থায় আমাদের অবশ্যই উচিত এ সমস্ত ফলকে বর্জন করা।
রিফাত
এইচএসসি পরীক্ষার্থী,ঝিনাইদহ
দেশের প্রায় সকল খাদ্যই বর্তমানে বিষযুক্ত। ফল খাওয়া বর্জন করলেই গুধু হবে না। দেশে যাতে বিষ প্রবেশ করতে না পারে সে বিষয়ে কঠোর আইন থাকা উচিত। তবেই দেশবাসী বিষযুক্ত খাবার থেকে রক্ষা পাবে। ফরমালিনযুক্ত খাবার মানুষকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেয়। অনেক মানুষই তা বোঝে না। জাতীয় ফল কাঁঠালেও বিষ প্রয়োগ করা হচ্ছে। আইন করা উচিত যাতে বিষমুক্ত ফল দেশবাসী খেতে পারে।
আশা এলিজাবেত গোমেজ, ঢাকা
প্রতিটি মানুষ সুস্থ ও সবল জীবন আশা করে। কোন খাদ্য ফরমালিনযুক্ত আর কোনটি ফরমালিন ছাড়া তা সাধারণ মানুষের বোঝার কোন উপায় নেই। এদেশের প্রত্যেকটি বাজারে ব্যবসায়ীদের সমিতি বা সংগঠন আছে। এই সমিতি ও সংগঠনের উদ্যোগে প্রতিটি বাজারে ফরমালিনমুক্ত অভিযান নিয়মিত করা দরকার। এতে করে আমরা সহজেই বিষাক্ত ফরমালিন থেকে বাঁচতে পারি।
মো. ফখরুল ইসলাম টিপু
সেনবাগ,
নোয়াখালী
বিষযুক্ত ফল অবশ্যই বর্জন করুন। জেনে-শুনে যারা ফল-ফলারিতে ফরমালিন দিচ্ছে করছে তারা দেশ এবং জাতির শত্রু। এ ফল খাওয়ার পর নারী-পুরুষ-শিশু নানা রকম কঠিন রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে। এসব ফল-ফলারি যাতে হাট-বাজারে ক্রয়-বিক্রয় না করতে পারে সে ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ মোবাইল টিম যথাযথ ব্যবস্থা নিতে পারে। পাশাপাশি জনসাধারণকে প্রচার-প্রচারণার মাধ্যমে এই বিষযুক্ত ফল যাতে না কেনে সে ব্যাপারে উত্সাহিত করতে হবে।
আরিফুর রহমান আরিফ
শিক্ষার্থী, শ্যামবাগ,
নোয়াখালী
অনাহার, অর্ধাহার, অপুষ্টি এমনিতেই গ্রামবাংলার জনগণের নিত্য-নৈমত্তিক চিত্র। অনেক দরিদ্র পরিবার নিয়মিত খাদ্যের অভাবে গাছ-গাছালির ফল-মূল খেয়ে জীবন ধারণ করে থাকেন এবং এসকল মৌসুমি ফল-মূলের মাধ্যমে পুষ্টির চাহিদাও মিটিয়ে থাকেন। একজন সুস্থ মানুষের দৈনিক অন্তত ১১৫ গ্রাম ফল খাওয়া প্রয়োজন। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রথম স্বাস্থ্যগত আঘাত আসে ফল-মূলকে পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য কট, টিডো, ফাইটার, ডায়াথেন, নইন পাওডার, ব্যাপিস্টিন, ফ্লোরা, শ্যাম্পু, বোরন, ফলিকুর, রোব্রাল, প্রিমিয়ার, এন্টাকল নামক কীটনাশক ওষুধের ব্যবহারের কারণে। এসব ব্যবহারের যথেচ্ছাচার থেকে নিবৃত্ত করার জন্য কৃষি সমপ্রসারণ বিভাগসহ অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি সংস্থা সতর্কবাণী ও ব্যবহারবিধি সম্পর্কে উত্পাদনকারী ও কৃষকদের প্রতিনিয়ত সজাগ করে দিচ্ছে।
ফলে তা মহামারী আকার ধারণ করেনি সত্য, তবে ব্যবহারবিধির যে ব্যতিক্রম ঘটছে না তা হলফ করে বলা যাচ্ছে না। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ থেকে নিষ্কৃতির উপায় খুঁজে পাওয়ার পর ফল-মূল পাকানো, রঙিন করা, সংরক্ষণ এবং বাজারজাতকরণের পর্যায়ে এসে আমরা ধরাশায়ী হয়ে পড়ি অসাধু ব্যবসায়ী, ফড়িয়া দালাল ও মজুতদারদের কাছে। ফল-মূল পাকানোর জন্য বেআইনিভাবে সায়ানাইড, প্রভিট, ইডেন, ইথরেল নামক কেমিক্যাল এবং পচন রোধে তারা ফরমালিন ব্যবহার করছে।
বিভিন্ন কেমিক্যাল এবং ফরমালিন মিশ্রিত ফল-মূল খেয়ে লিভার ক্যান্সার, কিডনি আংশিক কিংবা কোন কোন ক্ষেত্রে পুরো অকেজো, স্নায়ুবিধ দুর্বলতা, মস্তিষ্কে প্রবল চাপ অনুভূত হওয়া, বুদ্ধি লোপ পাওয়া, পাকস্থলি-ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার, ব্লাড ক্যান্সার, অস্বাভাবিক অ্যাসিডিটি, গর্ভবতী মায়েদের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া স্বরূপ বিকলাঙ্গ শিশু জন্ম দেয়াসহ জেনারেশন টু জেনারেশন চরম বিপর্যয়ের সন্মুখীন হচ্ছে। অথচ সেদিকে কিন্তু সংশ্লিষ্ট কারো নজর নেই। তাদের জোরালো বক্তব্য ফরমালিন মিশ্রণ ব্যতিরেকে তারা ফল-মূলের পচন রোধ করে দূর-দূরান্ত থেকে এনে গ্রাহকের হাতে পৌঁছাতে কোন অবস্থাতেই সক্ষম নন। এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ফল-মূল গাছে থাকা থেকে বাজারজাত করা পর্যন্ত ছয় দফায় কেমিক্যাল প্রয়োগের ফলে ফল-মূল বিষে রূপান্তর হয়ে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরসহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থাকে গ্রহণযোগ্য সমাধানের পথ খুঁজে বের করে জাতিকে এই মহাদুর্যোগ ও মহামারী থেকে রক্ষায় এগিয়ে আসতে হবে।
আমাদের স্মরণ রাখতে হবে যে, বিষযুক্ত ফল-মূল বর্জনের মাধ্যমে সমস্যার স্থায়ী সমাধান আসবে না বরং নতুন নতুন সমস্যার উদ্ভব হবে। মূলত পুঁজিবাদি সমাজব্যবস্থায় গ্রাহকসেবা মুখ্য নয়। সেজন্য গ্রাহকের স্বার্থ রক্ষায় রাষ্ট্রকে কল্যাণধর্মী মনোভাব ও উপযুক্ত প্রতিকার নিয়ে এগিয়ে আসতে হয়। আমাদের সরকার ঘটা করে বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস ও অনুষ্ঠানাদি উদযাপন করে থাকেন সত্য, কিন্তু সেগুলোর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য অন্তরে লালন-পালন করেন কিনা সে বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা সন্দেহ পোষণ করে থাকেন! যেমন জাতীয় স্বাস্থ্য দিবস পালন অনুষ্ঠানে স্বয়ং মহামান্য রাষ্ট্রপতিও প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে জ্ঞানগর্ভ বক্তব্য ও হিতোপদেশ প্রদান করে থাকেন। অথচ তার অফিস কাম বাসভবন থেকে মাত্র কোয়ার্টার কিলোমিটার দূরে কাপ্তান বাজারের মুরগি পট্টি, মাংস পট্টি, ছাগল পট্টি থেকে মারাত্মক স্বাস্থ্যহানির যাবতীয় উপকরণ প্রতিনিয়ত তৈরি হয়ে যেভাবে পরিবেশ দূষণ করছে তার কবল থেকে মহামান্য রাষ্ট্রপতিও নিস্তার পাচ্ছেন না বলে ভুক্তভোগীরা দাবি করছেন। সমস্যার উদ্ভবের সাথে সাথে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কর্তৃক তার উপযুক্ত প্রতিকারের ব্যবস্থা না নিয়ে দমন-পীড়ন কিংবা আইন প্রণয়ন করে সমাধানের পথ খুঁজে পাওয়া যাবে না। বরং জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাসহ উভয় পক্ষের স্বার্থ রক্ষায়ে যথোপযুক্ত পদক্ষেপ কিংবা নিদেনপক্ষে বিকল্প পন্থা নিরূপণ করাই আশু কর্তব্য বলে আমরা মনে করি।
ভুঁইয়া কিসলু বেগমগঞ্জী
৫বিসিসি রোড, নবাবপুর,
ওয়ারি, ঢাকা ১২০৩
ফলে ফরমালিন দিয়ে পচন রোধ করে ব্যবসায়ীরা। ব্যবসায়ীর লোভের কারণে দেশে আজ অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর হার অনেক বেড়ে গেছে। ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধি সমাজে আজ ব্যাপকভাবে বেড়ে চলেছে। এই ক্যান্সার উদ্ভবের যতগুলো কারণ আছে তার মধ্যে অন্যতম ফরমালিন। ফল, মাছ, দুধ আজ কোন কিছুই বাদ নেই এই ফলমালিন থেকে। মানুষের জীবন প্রদীপ নিভিয়ে দেয় যে ফরমালিন সেই ফরমালিন যারা ফলে প্রয়োগ করে তাদের ফল আমরা না কিনে বর্জন করতে পারি। ফল কিনে বিষ খাওয়ার কোন মানে হয় না। এই বিষ খেয়ে যে রোগ হয় তার চিকিত্সায় চলে যায় অগুনতি টাকা। এক পর্যায়ে মৃত্যু এসে ছিনিয়ে নেয় জীবন। আমরা সেই লোভী ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে শাস্তির ব্যবস্থা আজও করতে পারিনি। অন্যায়কারী থেকে যায় ধরাছোঁয়ার বাইরে। আমরা শুধু ফল ভোক্তারা ফল খেয়ে মরণকে ডেকে আনি। ছোট শিশুরা এই ফল খেয়ে মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়ে। তাই জরুরিভিক্তিতে ফলে শুধু নয় যে কোন খাবার দ্রব্যে ফরমালিন দেয়া নিষিদ্ধ করা হোক। যারা ফরমালিন দেবে তাদের প্রমাণ সাপেক্ষে বড় ধরনের শাস্তি ও অর্থ দণ্ড দেয়ার ব্যবস্থা করা নেয়া যেতে পারে। এ ব্যাপারে সরকার ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানসমূহের একমত হওয়া জরুরি ।
ওয়াহিদ মুরাদ
নেদারাবাদ, পিরোজপুর
যে ফল রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা রাখে সে ফল এখন জনগণের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফরমালিন সারাদেশেই বিস্তার লাভ করেছে। তাই আমাদের সন্তানদের এই বিষযুক্ত ফল থেকে সরে রাখতে হবে। তাদের প্রাণ রক্ষা করতে হলে বিষযুক্ত ফল ত্যাগ করতে হবে। শুধু বর্জন করলেই চলবে না, যারা এই অপকর্মের সঙ্গে যুক্ত তাদেরকেও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। এই সমস্যা এখন জাতীয় সমস্যা হিসাবে দেখা দিয়েছে।
শাহ মো. হেলালউদ্দিন হিরু
কালিহাতী, টাঙ্গাইল
বিষযুক্ত ওষুধ যাকে আমরা ফরমালিন বলে থাকি। যা সকল প্রকার ফলকে সতেজ করে রাখে। ফরমালিনযুক্ত খাবার অহরহ আমরা খেয়ে থাকি কখনো জেনে কখনো না জেনে। বিষযুক্ত ফরমালিন খাবার খাওয়া আমাদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ এবং মারাত্মক ব্যাধিতে রূপ নিতে পারে। সরকারের উচিত এই বাংলাদেশকে ফরমালিনমুক্ত করা, কারণ আগামী প্রজন্মকে গড়ে তুলতে হলে দুর্নীতির মতো ফরমালিনকে না বলার পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।
মনজু খন্দকার
চুয়াডাঙ্গা
ফল ফলারি খাদ্যদ্রব্য বিষমুক্ত করতে হলে ইবলিশ সদৃশ শয়তান ব্যবসায়ীদেরকে দুই টাকা জরিমানা আর দুইদিনের জেল দিয়ে কিছুতেই বিষমুক্ত করা যাবে না। হয় ফাঁসি না হয় সমস্ত সম্পত্তি বাজেয়াপ্তসহ আজীবন কারাদণ্ড। দুই টাকা জরিমানা আর দুইদিনের জেল দিয়ে তামাশা করার মানে হয় না। স্লোগান হোক আমাদের অধিকার বিষমুক্ত ফল-ফলারি খাওয়া, বর্জন নয়। বিষমুক্ত করা সরকারের জন্য কোন কঠিন কাজ নয়।
মোহাম্মদ লুত্ফুর রহমান
এলিফ্যান্ট রোড, ঢাকা
আগে আম পাকা ঘ্রাণে চারপাশে মাছি ভন ভন করতো। বর্তমানে আজকাল ফলে মাছি বসে না। এতে সহজেই বোঝা যায় ফরমালিনযুক্ত হচ্ছে ফলে। সুতরাং এ থেকে আমাদের পরিত্রাণ দরকার।
নাসরিন সুলতানা
স্যানিসাইড, নিউইয়র্ক
বিষযুক্ত ফল অবশ্যই আমাদের বর্জন করা দরকার। তবে তা করলে হবে না। এ ব্যাপারে জনস্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
কাউছার আকন্দ, মতিঝিল, ঢাকা
সারাদেশেই এখন ফল-ফলারিতে বিষ রয়েছে, কোন কিছুতেই মানুষের এখন স্বস্তি নেই। কী খাচ্ছি আমরা তাহলে? কবে, কখন মুক্তি পাবো এসব বিষযুক্ত খাবার থেকে?
আলমগীর
পিলখানা, ঢাকা