গ্রামের বাড়িতে রেশমা, শত শত লোকের ভিড়

সাভারের রানা প্লাজার ধ্বংসস্তূপ থেকে ১৭ দিন পর অলৌকিকভাবে জীবিত উদ্ধার হওয়া পোশাক শ্রমিক রেশমা বেগম তার গ্রামের বাড়ি ঘোড়াঘাটের কশিগাড়ীতে গেছেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে তিনি গ্রামের বাড়িতে পৌঁছান। তার সাথে ছিলেন ঢাকার ওয়েস্টিন হোটেলের জেনারেল ম্যানেজার আজিম শাহ ও নির্বাহী সেক্রেটারি হেলেন। তাকে একনজর দেখতে তার বাড়িতে শত শত লোক ভীড় জমায়। গত ৬ জুন রেশমা সাভার সিএমএইচ হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে ঢাকার পাঁচতারা হোটেল ওয়েস্টিনে হাউজ কিপিং ডিপার্টমেন্ট এর পাবলিক এরিয়া আম্বাসেডর হিসেবে যোগদান করেন। যোগদানের ১৩ দিন পর তিনি নিজ গ্রামে পা রাখলেন। বৃহস্পতিবার রাত দেড়টার দিকে সাংবাদিকরা রেশমার সাথে কথা বলতে তার বাড়ি গেলে তিনি বলেন, মহান সৃষ্টি কর্তার ইচ্ছায় সব কিছু হয়েছে। এ সময় জেনারেল ম্যানেজার বলেন, ‘রেশমা তুমি ইংরেজিতে কথা বলো।’ তখন রেশমা উপস্থিত লোকজনকে বলেন, ‘হাউ আর ইউ’। রেশমা কয়েকটা দিন তার পরিবারের সাথে কাটিয়ে হোটেলের চাকরিতে ফিরে যাবেন। গতকাল শুক্রবার সকালে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাকসুদা বেগম সিদ্দীকা ও ওসি এবিএম জাহিদুল রেশমার বাড়িতে গিয়ে তার সাথে কথা বলেন। রেশমার বাড়ি ফেরার খবরটি যথাসাধ্য গোপন রাখার চেষ্টা করা হলেও এক কান দু’ কান হয়ে জনে জনে জানাজানি হলে তাকে দেখার জন্য শত শত লোকের ভিড় জমতে থাকে। একারণে ওয়েস্টিনের প্রতিনিধি দল রেশমাকে সাথে নিয়ে ঢাকায় ফিরে যেতে চায়। কিন্তু রেশমা ২-৩ দিন বাড়িতে কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করে সেখানে থেকে যান।