পাখি রক্ষায় প্লাস্টিক দূষণ বন্ধের বিকল্প নেই

বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবসের আলোচনায় বক্তারা

ইত্তেফাক রিপোর্ট

পরিযায়ীসহ সকল পাখিকে রক্ষা করতে হলে পরিবেশ দূষণ বন্ধ করার বিকল্প নেই। গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বিশ্ব পরিযায়ী দিবসের আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বক্তারা আরো বলেন, পাখির আবাসস্থল ধ্বংস, বন ও গ্রামীণ গাছগাছালি কমে আসা, প্লাস্টিক দূষণ, জলাভূমি জবরদখল, শিকারীদের পাখি পাচার ও নিধনের ফলে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে আশঙ্কাজনকভাবে পাখির সংখ্যা হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়া জলাভূমিতে কৃষি সম্প্রসারণ; অধিক ফলনশীল শস্য উত্পাদনের জন্য যথেচ্ছভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক প্রয়োগ, কলকারখানার প্লাস্টিক ও রাসায়নিক বর্জ্য ও কীটনাশকের প্রভাবে পানি দূষণের কারণে বিলুপ্ত হচ্ছে পাখি।

বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ প্রাণিবিজ্ঞান সমিতি, বাংলাদেশ বনবিভাগ, নেচার কনজাভেশন সোসাইটি, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এ আলোচনার সভার আয়োজন করা হয়। এর আগে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় সম্মানিত অতিথি ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবেশ বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল্লাহ-আল মোহসীন চৌধুরী, প্রকৃতি ও জীবন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুকিত মজুমদার বাবু, চেয়ারম্যান, প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. গুলশান আরা লতিফা, আইইউসিএন বাংলাদেশের মো. রাকিবুল আমীন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিবিজ্ঞান সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তপন কুমার দে।

এ বছর বিশ্ব পরিযায়ী পাখি দিবসের প্রতিপাদ্য ‘পাখি সংরক্ষণে প্লাস্টিক দূষণ বন্ধ করি’। এ বিষয়ে আলোচনায় অংশ নেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোস্তফা ফিরোজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. নিয়ামুল নাসের প্রমুখ।