শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্ব শর্ত

রাজনৈতিক বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন একটি স্বাধীন সার্বভৌম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রতিচ্ছবি বহন করে। একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা ও মতামতের প্রতিফলন ঘটে। কিন্তু রাজনৈতিক ঘন ঘন পট-পরিবর্তন বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচনকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। রাজনৈতিক বিভিন্ন ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির কারণে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে অর্থনৈতিক উন্নয়ন। যা একটি দেশের জন্য কখনই মঙ্গলজনক নয়। যদি দেশের রাজনীতিতে শান্তি বিরাজ না করে তবে একটি দেশের উন্নয়ন কখনই সম্ভব নয়। বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অঙ্গনে শান্তির জন্য সর্বসম্মত উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর করা। বাংলাদেশ মানুষ সংঘাত চায় না। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর হিংসাত্মক মানসিকতা পরিহার করে জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও প্রকৃত দেশপ্রেম বোধ জাগ্রত করা উচিত। নিরপেক্ষ, নির্দলীয় সরকারের মাধ্যমে সুষ্ঠু নির্বাচন দিয়ে একটি গণতান্ত্রিক সরকার গঠন করে দেশকে এ সংঘাত ও ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে এদেশের কোটি কোটি মানুষের একটাই প্রত্যাশা প্রতিহিংসা পরিহার করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে জনগণের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে সবুজ শ্যামল বাংলাকে সোনার বাংলায় প্রতিষ্ঠা করতে হবে। দিলোয়ার হোসেন কৃষি অনুষদ লেভেল-০১, সেমিস্টার-০১ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের অবশ্যই পূর্বশর্ত যে কোন দেশের উন্নয়ন ও কর্মকাণ্ড নির্ভর করে রাজনীতির উপর। পৃথিবীর অন্য যে কোন দেশের দিকে তাকালে দেখা যাবে যে, তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরই মোক্ষম বিষয় নয়। এটাকে কিভাবে সুন্দর করে নিয়মনীতির মাধ্যমে দেশের ও দশজনের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয় তাই চিন্তা করে। আমাদের দেশে এত কিছু চিন্তা করা হয় না। আমাদের দেশে ক্ষমতা হস্তান্তর মানে যখন যে সরকার তখন সে সরকার উন্নয়নের নাম করে নিজেদের শান্তি ও সুখের চিন্তা করেন এবং বিরোধী দলের নেত্রীর দোষ খুঁজে বেড়ান, উপরন্তু নিজের দোষ ঢাকার জন্য বিরোধী দলের উপর তা চাপিয়ে দেন। বিরোধী দলের নেত্রীরাও দেশে বিশৃঙ্খলাপূর্ণ কাণ্ড ঘটিয়ে তা সরকারের ব্যর্থতা বলে চালিয়ে দেন। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে চলে এরকম একে অন্যের দোষে দোষারোপ করার যুদ্ধ। এর ফলে দেশে সৃষ্টি হয় মারামারি ও হরতালের মত বিশৃঙ্খলাপূর্ণ ঘটনা। আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স বহির্বিশ্বের অন্য যে কোন দেশেই তারা তাদের হাতে ক্ষমতা পাবার পর তাদের দেশের মানুষ অর্থনীতি কিভাবে সচল থাকবে তাই চেষ্টা করে। তারা তাদের নিজেদের পাশাপাশি বিরোধী দলকেও তাদের উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সামিল করে। তারা আমাদের দেশের মত একজনের দোষ অন্যের ঘাড়ে চাপিয়ে দেয় না। তাদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরই নয়, শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তর অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি পূর্বশর্ত। আয়শা-তুজ-জোহরা অনার্স ২য় বর্ষ, ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ সরকারি বাংলা কলেজ, মিরপুর, ঢাকা গণতন্ত্রের হাত ধরেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তোলে বিশ্বের সকল রাষ্ট্র যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন বাংলাদেশসহ অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশ নিজ নিজ স্থান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে চায় এটাই সত্য। আর এই ঘুরে দাঁড়ানো ও এগিয়ে যাওয়ার জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন মূল লক্ষ্য। তবে সেটা হতে হবে শান্তিপূর্ণভাবে, শান্তিপূর্ণ উপায়ে গণতন্ত্রের হাত ধরেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সম্ভাবনা জাগিয়ে তোলে। উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের উন্নয়নের পেছনের দিকে লক্ষ্য করতে হবে, কিভাবে উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে সেসব রাষ্ট্রের। দেখতে হবে উন্নয়নের মূল কারণ কি? সরকারি দলের ক্ষমতার সঠিক প্রয়োগ এবং বেসরকারি দলের নীতিমূলক প্রয়োগই পারে অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে এগিয়ে নিয়ে যেতে। শান্তিপূর্ণ উপায়ে ক্ষমতা হস্তান্তরের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হবে সেটা যদি জনগণের চাহিদা হয়। জনগণের চাহিদার দিকে লক্ষ্য রেখে ক্ষমতা হস্তান্তর করে উন্নয়নশীল কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। ক্ষমতায় থাকলেই যে উন্নয়ন সম্ভব তা নয়, যখন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালিত হয়, যখন অর্থনৈতিকভাবে জাতিকে শক্তভাবে দাঁড় করানো যায় তখনই উন্নয়ন সম্ভব। ক্ষমতা হস্তান্তর চাওয়ার কারণ কি? সালেহীন সোয়াদ সাম্মী অনার্স, ১ম বর্ষ,অর্থনীতি বিভাগ সরকারি রাজেন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ফরিদপুর ক্ষমতা এমন এক মোক্ষম হাতিয়ার যার মাধ্যমে দেশকে উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছানো সম্ভব আমরা অতীত অভিজ্ঞতার আলোকে বলতে পারি যে, যে দলই ক্ষমতায় থাকুন না কেন মেয়াদ শেষে শান্তিপূর্ণ উপায়ে কেউ ক্ষমতা হস্তান্তর করতে চায় না। যা বিশ্বের অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশে বিরল। এ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তুমুল দ্বন্দ্ব এবং বিশৃঙ্খল পরিবেশ সৃষ্টি হয়। যেখান থেকে উন্নয়ন নামক শব্দটি হারিয়ে যায়। একটি গণতান্ত্রিক দেশে সকল ক্ষমতার উত্স জনগণ হলেও প্রত্যক্ষভাবে জনগণের প্রতিনিধি হিসাবে ক্ষমতাকে ব্যবহার করেন রাজনীতিবিদরা। যারা একটি দেশের কর্ণধার হিসাবে বিবেচ্য। যতই দিন যাচ্ছে সংকট আরো ঘনীভূত হচ্ছে। আজকে এই খোলা চোখে তাকালে চারদিকে শুধু হতাশা। অশান্তির মূলে রয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতা। অমিতাভ কুমার বিশ্বাস নিপা গ্রুপ হোমিওপ্যাথিক ও হারবাল রিসার্চ এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টার এলাঙ্গী বাজার, কোর্টচাঁদপুর, ঝিনাইদহ-৭৩৩০