রুগ্ন শিল্পের ঋণ হিসাব নিষ্পত্তি বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতিমালা ঘোষণা
প্রকাশ : ২৩ জুন ২০১৩, ২২:৫৯
দেশে বিরাজমান রুগ্ন শিল্পগুলোর সমস্যাদি নিরসনে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠানকে রুগ্ন শিল্প হিসাবে চিহ্নিত করেছে সরকার। এসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ হিসাব নিষ্পত্তি বা অবসায়নের জন্য কি উপায় ব্যবহার করা হবে সে বিষয়ে গতকাল একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, রুগ্ন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে যারা ইতিমধ্যে সরকারের নানাবিধ সুবিধা সম্বলিত প্যাকেজের আওতায় পড়েছে সেসব প্রতিষ্ঠানের ঋণ হিসাব সরকার ঘোষিত নির্দেশনার আলোকে নিষ্পত্তি করা যেতে পারে। তবে সরকার ঘোষিত সুদ ভর্তুকি দেয়ার বিষয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত না পাওয়া পর্যন্ত বেসরকারি ব্যাংকগুলোর জন্য কার্যকর বিবেচিত হবে না। অন্যদিকে যেসব চিহ্নিত রুগ্ন শিল্পের জন্য এখনো প্যাকেজ ঘোষিত হয়নি তাদের ক্ষেত্রে ব্যাংক বা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ প্রতিটি কেইসের যথার্থতা বিচার করে ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে কিছু কিছু সুবিধা দেয়ার জন্য বিবেচনা করতে পারবে। এর আওতায় দায়-দেনা পরিশোধের জন্য ঋণগুলো ব্লকড একাউন্টে স্থানান্তর, মরেটরিয়াম সুবিধা দেয়া ও নমনীয় পরিশোধ সূচি করার ক্ষেত্রে যেসব পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে সেগুলো হলো, অনারোপিত সুদ, সুদ অনিশ্চিতখাতে রক্ষিত সুদ ও দণ্ড সুদ মওকুফ (সম্পূর্ণ বা আংশিক) করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে মূল ঋণ এবং মামলা খরচ মওকুফ করা যাবে না। আরোপিত সুদ মওকুফের আবশ্যক হলে ব্যাংকের খরচ উঠানো নিশ্চিত করে এবং ব্যাংকের আয় থেকে খরচ না করে তা বিবেচনা করা যেতে পারে। নতুন ঋণপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে প্রচলিত ডাউন পেমেন্ট শিথিল করার বিষয়টি পর্ষদ বিবেচনা করতে পারে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে কেইস-টু-কেইস ভিত্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনাপত্তি গ্রহণ করা যেতে পারে। সার্কুলারজারির দুই মাসের মধ্যে ঋণগ্রহীতাকে সংশ্লিষ্ট ব্যাংকে আবেদন করার কথা বলা হয়েছে।