কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি
কাউখালী (পিরোজপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০১৩, ২০:৫৫
পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভবনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। এ ভবনের দেয়াল ও ছাদে রয়েছে অসংখ্য ফাটল। খসে পড়ছে ছাদ ও দেয়ালের প্লাস্টার। দরজা-জানালা নেই অনেক কক্ষের। বর্তমান অবস্থায় এ ভবনে কর্মরত চিকিত্সক ও রোগীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নতুন ডাক্তার এলেই ঝুঁকিপূর্ণ ভবন দেখে অন্যত্র বদলি হয়ে যায়। নতুন ভবন নির্মাণের কাজ পাঁচ বছরেও শেষ হয়নি। অথচ কাজটি দেড় বছরে শেষ করার কথা ছিল। কাজটির তদারকির দায়িত্বে থাকা পিরোজপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপ-সহকারী প্রকৌশলী এনামুল কবীর জানান, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এ পর্যন্ত মোট কাজের ১৫ ভাগ শেষ করেছে। পিরোজপুর স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ২০০৮ সালের ২০ জুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেয়া হয়। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ওই বছরের ২৫ আগস্ট কাজ শুরু করে। একই সময় নাজিরপুর, ভান্ডারিয়া ও স্বরূপকাঠী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নির্মাণকাজ শুরু হয়ে যথাসময়ে শেষ হয়ে গেছে। সমপ্রতি কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এলাকায় গেলে দেখা যায়, কাজ বন্ধ আছে। চিকিত্সক ও কর্মচারীদের জন্য নির্মিত দ্বিতল ভবনের প্রতিটিতে ছাদ ঢালাইয়ের কাজ হয়েছে। এদিকে কাউখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এসে রোগীরা যথাযথ চিকিত্সাসেবা পাচ্ছে না। কারণ এখানে চিকিত্সকের নয়টি পদের ৬টিই দীর্ঘদিন ধরে শূন্য রয়েছে। এর মধ্যে ২ জন ছুটিতে। চিকিত্সার অভাবে প্রতিদিন শতশত রোগী হাসপাতালে ভিড় করলেও দেখার কেউ নেই। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ছিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘চিকিত্্সকের শূন্যপদগুলো পূরণের জন্য অনেকবার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করা হয়েছে। কিন্তু আজও ওই শূন্যপদগুলো পূরণ করা হয়নি।’