শহরের রেলপথের দু’পাশের অবৈধ স্থাপনা যেন মৃত্যু ফাঁদ
প্রকাশ : ২৫ জুন ২০১৩, ২১:২৩
ব্রিটিশ আমলে নির্মিত একসময়ের সবচেয়ে ব্যাস্ততম ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেল পথটি এখন নগরবাসীর জন্য মৃত্যুকূপে পরিণত হয়েছে। প্রায় প্রতিদিনিই শহরের প্রাণ কেন্দ্রের উপর দিয়ে যাওয়া ট্রেন লাইনটিতে হতাহতের ঘটনা ঘটলেও এক্ষেত্রে রেল কতৃপক্ষ ও প্রশাসন যেন নির্ির্বকার । এর কারণ নারায়ণগঞ্জ শহরের প্রাণ কেন্দ্রে গত ৩ যুগেরও বেশি সময় ধরে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেন লাইনের পাশ ঘেঁষে অবৈধভাবে ব্যবসা চালিয়ে আসছে মাংসের দোকান থেকে শুরু করে ফলমূলসহ কয়েকশ কাঁচামাল ব্যবসায়ী। জীবিকার তাগিদে এরা ব্যবসা চালিয়ে আসলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই ব্যবসা থেকেই বরাবর চাঁদা আদায় করে আসছে। আর এক্ষেত্রে রেলওয়ের কতিপয় অসাধু কর্মচারীকে সহায়তা করে চলছে এক শ্রেণীর উঠতি মাস্তান। যারা যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তখন সে দলের নাম ভাঙ্গিয়ে এই সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন মোটা অংকের চাঁদা আদায় করে আসছে। মাঝেমধ্যে সংবাদ প্রকাশ হলে লোক দেখানো উচ্ছেদ অভিযান চললেও পরদিনই আবার আগের অবস্থায় ফিরে যায়। শহরের ১নং রেল গেইট থেকে শুরু করে ২নং রেল গেইট পর্যন্ত রেল লাইনের উভয় পাশে অবৈধ দখল করে চলছে কাঁচামাল ব্যবসা থেকে শুরু করে মাংসের দোকান, মুদি দোকান, ফলমূলের দোকান লৌহজাত সামগ্রীর দোকান। যে কারণে ১ দশকে এই অবৈধ দখলদারদের কারণে ট্রেনে কাটা পড়ে হতাহত হয়েছেন অন্তত কয়েকশত পথচারী। চলতি বছরেই মারা গেছেন ৪ জন। নিহত হয়েছেন অর্ধশত পথচারী। প্রতিদিন হতাহতের ঘটনা ঘটলেও উঠতি মাস্তান ও রেললাইনের পাশের বাড়ীর মালিকদের কারণে কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পায় না। অবৈধ দখলদারদের কারণে সৃষ্ট তীব্র জানজটে এক রিকশাচালকে ট্রেনের চাপায় প্রাণ দিতে হয়েছে।
এসব দোকানের জন্য শহরের এই ব্যাস্ততম এলাকায় দিনে রাতে যানযট লেগেই থাকে।