ভজনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়

হিমালয়কন্যা বলে খ্যাত দেশের সর্বোত্তরের তেঁতুলিয়া উপজেলার এক মনোমুগ্ধকর গ্রামীন পরিবেশ ভজনপুর। এটা কোন শহর বা উপশহর না হলেও এলাকাটি শিক্ষা-দিক্ষা ব্যবসা-বাণিজ্যে অধিকতর উন্নত বলে ভজনপুর উপশহরের মতই। করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত ইউনিয়ন পরিষদ সংলগ্ন ভজনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯১৯ খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত। এই বিদ্যালয়ের আমি ১ম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করেছি। গত ২০১২ খ্রি: এই বিদ্যালয় থেকে সমাপণী পরীক্ষা দিয়ে ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়েছি। বর্তমানে আমি পঞ্চগড় বিপি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করছি। ভজনপুর প্রাইমারি স্কুলটি আমার মন ও জীবনের সাথে এখনও মিশে আছে। এই বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক লিটন স্যার অর্থাত্ শাহ্ আজিজুর রহমান স্যার শুধু আমার নয় প্রত্যেকটি ছাত্রের প্রিয়জন। তাঁকে ভুলার মত নয়। খেলাধুলা, আনন্দ উল্লাস, লাফ ঝাপ এরই মধ্য দিয়ে পড়ালেখা। বিদ্যালয়টির চতুরপাশ ঘিরে রয়েছে জন মানবের কোলাহল মুখর কর্মপরিবেশ। দিবা-রাত্রি মানুষের আনাগোনা, সকাল হলেই যেখানে জ্ঞান লেনদেনের মিলন মেলায় পরিণত হয়। এই এলাকায় রয়েছে সবচেয়ে বেশি জায়গা নিয়ে প্রতিষ্ঠিত ভজনপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় এছাড়া এখানে মনোরম পরিবেশে পাঠদান পরিচালিত হচ্ছে, ভজনপুর ডিগ্রি কলেজ, বেগম খালেদা জিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় এবং একটি কিণ্ডারগার্টেনসহ আমার প্রিয় ভজনপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয়ের পাঠদান পদ্ধতি অত্যন্ত উন্নত। শিক্ষকদের অনুপ্রেরণা এবং ভালোবাসায় একজন শিক্ষার্থীকে সাহসি করে তুলে। এই বিদ্যালয়ের কথা বার বার আমার মনে পড়ে। এই বিদ্যালয়ের সব কিছুই আমাকে আকৃষ্ট করলেও যে বিষয়টি আমাকে কষ্ট দেয়- তা হলো বিদ্যালয়ের পাশে ইউনিয়ন পরিষদের পেছনের হাজামাজা পুকুরটির দুর্গন্ধে শিক্ষার্থীরা প্রায় সময়ই মানসিক ও শারীরিকভাবে নানা ভোগান্তির শিকার হচ্ছে। আমার শিক্ষা জীবনের হাতে খড়িদানের এই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ শিক্ষকদের আন্তরিক ভালোবাসা সহপাঠিদের বন্ধুত্ব আমার অন্তকরণে আজীবন লেখা থাকবে।