ভাঙনের কবলে চার উপজেলা

অব্যাহত নদী ভাঙনে সিরাজগঞ্জ জেলার ৫ উপজেলার মানুষ দিশেহারা। এ সকল অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ যমুনার কড়াল গ্রাসে সর্বস্ব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। জেলার সদর উপজেলার কাওয়াকোলা, মেছড়া, রতনকান্দি, কাজিপুর উপজেলার শুভগাছা, খাস রাজবাড়ী, তেকানী, নিশ্চিন্তপুর, নাটুয়ারপাড়া, চরগিরিশ, মনসুরনগর, চৌহালী উপজেলার খাস কাউলিয়া, স্থল, ঘোড়জান, খাস পুকুরিয়া, বাগুটিয়া, ওমরপুর, শাহজাদপুর উপজেলার কৈজুরী, জালালপুর, সনাতনী, পোরজনা, গালা, রুপবাটি ও বেলকুচি উপজেলার রাজাপুর, বড়ধুল এবং বেলকুচি সদর ইউনিয়নের হাজার হাজার একর জমি যমুনার ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে পড়েছে। এ সকল অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষ ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে বাঁধের উপর আশ্রয় নিয়েছে। প্রতি বছরের বর্ষা মৌসুমের শুরুতে উজানের ঢলে প্রমত্ত যমুনা ভাঙ্গতে শুরু করে। একাধিক গ্রাম-জনপদ-হাট-বাজার সহ হাজার হাজার একর আবাদী ভূমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ইতিমধ্যে চৌহালী উপজেলার বিভিন্ন অফিসসহ বিভিন্ন স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। উপজেলা হেড কোয়াটারের দিকে ধেয়ে আসছে। নদী এখন উপজেলা হেড কোয়াটার থেকে প্রায় ২/৩ শ গজ দুরে। এদিকে বর্তমান সরকার যমুনার ভাঙ্গনরোধে বিভিন্ন পদক্ষে গ্রহণ করেছে। প্রায় ১৭শ কোটি টাকা ব্যয়ে সিরাজগঞ্জ শহরের হার্ডপয়েন্টে এলাকায় ড্রেজিং শুরু, কাজিপুর, ও বাহুকায় বেরি বাঁধ নির্মাণ ও চৌহালী উপজেলা হেড কোয়ার্টার রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হচ্ছে। এছাড়াও পানি উন্নয়ন বিভাগ সিসি ব্লক নির্মান ও জিও টেক্স দিয়ে চৌহালী উপজেলা সদর রক্ষার চেষ্টা করছে।