সাঁকোতে চলে ২০ গ্রামের মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার
রাজীবপুর (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৬ জুন ২০১৩, ২১:৫৪
উপজেলার পাটাধোয়া পাড়া নয়াচর সড়কে বাঁশের সাঁকো দিয়ে ২০ গ্রামের প্রায় ৩০ হাজার মানুষ ঝুঁকিপূর্ণভাবে চলাচল করছে। গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, পাঁচ বছর আগে ওই সড়কের সেতুটি ভেঙ্গে যায়। পরে সেটি আর সংস্কার না করায় এলাকাবাসী চাঁদা তুলে ও গ্রাম থেকে বাঁশ সংগ্রহ করে ভাঙ্গা সেতুটির পাশে বাঁশের সাঁকো তৈরি করে যোগাযোগ রক্ষা করছে। এই পথে চলাচল করতে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগ পোহায় স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও সাধারণ কৃষক। ওই সেতুতে কোন যানবাহন উঠানো যায় না। ফলে কৃষকদের উত্পাদিত পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে আসতে হলে পাঁচ কিলোমিটার পথ ঘুরে আসতে হয়। পণ্য পরিবহনে খরচ বেড়ে যাওয়ায় কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। গ্রামের আলহাজ্ব আব্দুর রউফ মাস্টার জানান, পাঁচ বছর আগে সেতুটি ভেঙ্গে গেলেও মেরামত বা নতুন সেতু করতে উপজেলা প্রশাসন থেকে কোন পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। সবুজপাড়া গ্রামের কৃষক আজগর আলী বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে যাতায়াত করতে খুব সমস্যা হয়, মেম্বার, চেয়ারম্যানগোরে কত কইলাম তাও ব্রিজটা ঠিক করল না।
মোহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন আনু জানান, সেতুটি মেরামত করার জন্য উপজেলা পরিষদের কাছে বার বার আবেদন করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। সেতুটি সংস্কার করা হলে মোহনগঞ্জ ইউনিয়নের সঙ্গে উপজেলা শহরের যোগাযোগে সুবিধা হবে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলী আব্দুস ছাত্তার জানান, ওই ভাঙ্গা স্থানে নতুন করে ব্রিজ নির্মাণের জন্য প্রকল্প তৈরি করা হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন হলে কাজ শুরু করা হবে।