সাদা পোশাকধারী একদল লোক মাইক্রোবাসে এসে আমার ছেলে হাসান শেখকে তুলে নিয়ে গেছে। গত মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে তাকে তুলে নিয়ে যাবার সময় বাধা দেওয়ায় আমার ছেলের বউকে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে গেছে তারা।
শনিবার দুপুরে সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে এই অভিযোগ করেন হাসান শেখের বাবা সাতক্ষীরার শ্যামনগরের গাবুরা ইউনিয়নের চাঁদনিমুখা গ্রামের বৃদ্ধ আজিজুল শেখ। তিনি বলেন, এর পর থেকে ছেলের কোনো সন্ধান পাইনি।
আজিজুল শেখ বলেন, তার ছেলে ইটভাটা শ্রমিক। কালিগঞ্জের কুশলিয়ায় একটি ভাড়া বাড়িতে সে থাকে। সে কোনো অপরাধী নয়। তবে শ্যামনগরে তার বিরুদ্ধে বন আইনে একটি মামলা আছে। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছে কয়েকদিন আগে। তিনি জানান, গত মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে একটি মাইক্রোতে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন লোক এসে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যায়। পুত্রবধূ পলি বেগম এতে বাধা দিলে তারা তাকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়। এর পর থেকে হাসান শেখের আর খোঁজ মেলেনি। এ ব্যাপারে পলি বেগম কালিগঞ্জ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
বৃদ্ধ আজিজুল শেখ আরো বলেন, তার ছেলে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত নয়। সে কোনো দলও করে না। তারপরও আইনের দৃৃষ্টিতে সে কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকলে তার বিচার চাই; কিন্তু সে কোথায় আছে তা আমাকে জানতে হবে।