শেয়ারবাজারের লেনদেনে জ্বালানি খাতের প্রাধান্য

গতকাল সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার শেয়ারবাজারে জ্বালানি খাতের ব্যাপক প্রাধান্য দেখা গেছে। এ খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার লেনদেন হয়েছে ১৫৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা। যা বাজারের মোট লেনদেনের প্রায় ২৪ শতাংশ। তবে এ খাতের বেশিরভাগ শেয়ারেরই দর কমেছে। এদিকে গতকাল দেশের উভয় শেয়ারবাজারে সূচক ও লেনদেন আগের দিনের তুলনায় কমেছে। টানা তিন কার্যদিবস দরপতনের পর বুধবার সূচক বাড়লেও গতকাল সূচকের পতন হয়। বাজার বিশ্লেষকরা একে স্বাভাবিক ও নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেই মনে করছেন। তাছাড়া জুন মাসের শেষ দিন হওয়ায় ব্যাংক, মিউচুয়াল ফান্ডসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো এ দিন ক্রেতার ভূমিকায় খুব একটা ছিল না। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই তাদের মুনাফা তুলে নেয়ার প্রবণতা ছিল। এজন্যও বাজারে দরপতন হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তথ্যে দেখা গেছে, গতকাল ডিএসই’র ব্রড ইনডেক্স (ডিএসইএক্স) আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৪০ পয়েন্ট কমে ৪ হাজার ১৫০ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। সাধারণ মূল্যসূচক ৩৯ পয়েন্ট কমে দাঁড়িয়েছে ৪ হাজার ৪২৫ পয়েন্টে। এদিন ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৬৪৪ কোটি ১৫ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। যা আগের কার্যদিবসের তুলনায় ১৪২ কোটি টাকা কম। লেনদেনকৃত ২৮৪টি কোমপানির মধ্যে দাম বেড়েছে ৭৪টির, কমেছে ১৯৫টির এবং অপরিবর্তিত রয়েছে ১৫টির। এদিকে দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) ২০১১-১২ অর্থবছরে আগের অর্থবছরের তুলনায় আয়ের পরিমাণ অর্ধেকের চেয়েও কম হয়েছে। অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হলেও প্রতি বছরই প্রতিষ্ঠানটি কোটি কোটি টাকা আয় করে। মহাধসের কবলে পড়ে ২০১১-১২ অর্থবছরে আয়ের ক্ষেত্রে ব্যাপক অবনমন হলেও ব্যায়ের ক্ষেত্রে ছিল প্রায় আগের মতোই। ডিএসই’র ৫১তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) এ আয় ব্যয় সদস্যদের সম্মতিক্রমে পাস হয়েছে। জানা গেছে, ২০১০-১১ অর্থবছরে মূল ব্যবসায়িক কার্যক্রম থেকে ডিএসই ১৭০ কোটি টাকা আয় করলেও তা ২০১১-১২ অর্থবছরে হয়েছে মাত্র ৭৫ কোটি টাকা। আর ২০১০-১১ অর্থবছরে ব্যয় হয় ৪৪ কোটি ও ২০১১-১২ অর্থবছরে হয় ৪৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা।