ফরিদগঞ্জ হাসপাতালে
চিকিত্সাসেবা বিপর্যস্ত
ফরিদগঞ্জ (চাঁদপুর) সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৯ জুন ২০১৩, ২২:০৪
অব্যবস্থাপনা, চিকিত্সক ও জনবল সংকটে বিপর্যস্ত ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ ৪টি সাব-সেন্টার। এমতাবস্থায় রোগীরা চিকিত্সাসেবা না নিয়েই হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফিরছে। কাগজে-কলমে হাসপাতালকে ৫০ শয্যা দেখানো হলেও বাস্তবে ৩১ শয্যা এবং ৩১ জনেরই বেডিং রয়েছে। হাসপাতালকে ৫০ শয্যায় উন্নীতকরণের লক্ষ্যে প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে অবকাঠামো নির্মাণ হলেও অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে একটি বছর। এদিকে পুরোনো ভবনেই ঝুঁকির মধ্যেই চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। নতুন ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ভবন ও পুরোনো ভবনের সংস্কার কাজের একটি বছর যেতে না যেতে ফাটল, পলেস্তরা খসে পড়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে রঙের কাজ চলছে। প্রতিনিয়ত রোগী ও ডাক্তারদের মাথায় পলেস্তরা খসে পড়লেও পরিত্যক্ত ঘোষিত হয়নি পুরোনো ভবনটি। যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে বলে আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা। উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ মোজাম্মেল হোসেন ভূইয়া জানান, কার্যত জনবল সংকটে সেবায় কিছুটা বিঘ্ন ঘটছে। তিনি আরো জানান, জুনিয়র কনসালটেন্ট পদ শূন্য, জুনিয়র কনসালটেন্ট গাইনি পদ শূন্য, আর এমও পদটি শূন্য, প্রধান সহকারী পদ শূন্য, পরিসংখ্যানবিদ পদ শূন্য, ক্যাশিয়ার পদ শূন্য, এম এ সিএমও ৩টি পদ শূন্য, ফার্মাসিস্ট ৪টি পদ শূন্য, সিনিয়র স্টাফ নার্স ৩টি পদ শূন্য, সহকারী নার্স পদ শূন্য, স্বাস্থ্য সহকারী ২১টি পদ শূন্য, এম এল এস এস, দারোয়ান, মশালচি পদ শূন্য রয়েছে। জনবল সমস্যা নিরসন হলে সেবার মান বৃদ্ধি পাবে।
এদিকে সাব-সেন্টারগুলোতে মাসে ২/৪ দিন গিয়ে ডাক্তাররা মাসের পর মাস বেতন-ভাতা তুলে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে। হাসপাতালের বহির্বিভাগ সাড়ে ৮টা হতে আড়াইটা পর্যন্ত খোলা থাকার বিধান থাকলেও এখানে তা মানা হচ্ছে না। প্রায়ই সাড়ে ১১টা-১২টার দিকে বহির্বিভাগে তালা ঝুলতে দেখা যায়।