দেশে সাক্ষরতার হার ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশ

দেশে সাক্ষরতার হার ৫৩ দশমিক ৭ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। ২০০৮ সালে এ হার ছিলো ৪৮ দশমিক ৮ শতাংশ। বর্তমানে শহরাঞ্চলে সাক্ষরতার হার ৬৫ দশমিক ৬ শতাংশ আর গ্রামাঞ্চলে এ হার ৫০ দশমিক ৫ শতাংশ। বিভাগওয়ারী হিসেবে সাক্ষরতার হার সর্বোচ্চ বরিশাল বিভাগে ৬১ দশমিক ৯ শতাংশ। অন্যদিকে সর্বনিম্ন সিলেটে ৪২ দশমিক ২ শতাংশ। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সাক্ষরতা নিরূপণ জরিপ-২০১১ এর রিপোর্টে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়। আগারগাঁওয়ের পরিসংখ্যান ভবনে রিপোর্টটি প্রকাশ উপলক্ষে এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। পরিকল্পনা মন্ত্রী এয়ার ভাইস মার্শাল (অবঃ) এ কে খন্দকার, বীর উত্তম অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এসময় আরো জানানো হয়, দেশে বর্তমানে পুরুষদের মধ্যে স্বাক্ষরতার হার ৫৬ দশমিক ৯০ শতাংশ। আর নারীদের মধ্যে শিক্ষার হার ৫০ দশমিক ২০ শতাংশ। প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি সূচকেই শিক্ষার হার বেড়েছে। জাতীয় পর্যায়ে পুরুষের সাক্ষরতার হার বেড়েছে ৮ দশমিক ১০ শতাংশ। আর শহরে ও গ্রামে পুরুষের সাক্ষরতার হার বেড়েছে যথাক্রমে ১২ শতাংশ ও ৭ দশমিক ৭০ শতাংশ। তবে এর সাথে সঙ্গতি রেখে তিন বছরে নারীর সাক্ষরতার হার তেমন বাড়েনি। জাতীয় পর্যায়ে নারী সাক্ষরতার হার বেড়েছে ১ দশমিক ১০ শতাংশ। আর গ্রামে বেড়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৩০ শতাংশ। অবশ্য শহর অঞ্চলে নারী সাক্ষরতার হার তিন বছরে ৫ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছে।