অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা গলাচিপা-দশমিনায় সমাজসেবায় অনন্য

পটুয়াখালী জেলাধীন গলাচিপা উপজেলার পানপট্টি গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে তার জন্ম। ছাত্র জীবন থেকে সে অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় পরিসংখ্যানে অনার্স, মাস্টার্স ও এলএলবিতে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হন। সমাজসেবায় অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ গোলাম মোস্তফা এক ব্যতিক্রম ব্যক্তিত্ব। ১৯৭০ সালে দক্ষিণাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে অসহায় মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘদিন ত্রাণকার্য পরিচালনা করেন। আশির দশক থেকে দক্ষিণাঞ্চলের বহু চক্ষুশিবির পরিচালনা, বহু গরীব ও অসহায় রোগীদের বিনা পয়সায় চিকিত্সা, ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত অনেক অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ ও বাসগৃহের ব্যবস্থা করেন। তিনি এলাকার বহু ছাত্র-ছাত্রীর লেখাপড়া এবং বেকার যুবকের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন। এলাকার বহু স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। পানপট্টি কলেজের অনারারী অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন ছাড়াও গলাচিপা ডিগ্রি কলেজের গভর্নিং বডির বিদ্যুত্সাহী সদস্য হিসাবে কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। তিনি ছাত্র অবস্থাতেই প্রগতিশীল ছাত্র রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। তিনি ঊনসত্তরের ১১ দফাভিত্তিক ছাত্র গণআন্দোলন, হামুদুর রহমান শিক্ষা কমিশন রিপোর্ট বাতিলসহ প্রতিটি ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধ সংগঠনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির অর্থ সম্পাদক, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম সুপ্রীমকোর্ট শাখার সক্রিয় সদস্য ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল, গলাচিপা উপজেলা কার্যনির্বাহ কমিটির সদস্য হিসেবে দলের সকল কর্মকাণ্ডে সক্রিয় অংশগ্রহণ করে আসছেন।