খুন

মোখতার আহমেদ

 

খোদ সরকারি কর্তৃপক্ষ রিপোর্ট দিয়েছে খাসা,

ছিয়ানব্বই নমুনার মাঝে তিরানব্বইই ঠাসা—

মানব দেহের জন্যে ভীষণ ক্ষতিকর উপাদানে;

তেমন কিছুই কঠিন নয়তো বোঝা কথাটার মানে—

দুগ্ধজাতীয় দ্রব্য ও দুধ শিশুরাই বেশি খায়;

হায় হতোস্মি! আমরা এমনি দুর্ভাগা জাতি হায়! 

মাহে রমজানে রোজাদারদের ইফতারি শরবতে

খাওয়াচ্ছে এ কী? গুড় নাম দিয়ে তরল গরলবত্-এ!

চিনি ও চকের সঙ্গে মিশিয়ে রং আর ফিটকিরি

বানাচ্ছে গুড়—কাণ্ড দেখছি কী যে বিতিকিচ্ছিরি!

 

দুধ গুড় নয়—মত্স্য-মাংস-সবজি ও ফলমূল

জীবনধারণে খাচ্ছি যা সব বিষে ভরা বিলকুল

সকল পণ্য—ঔষধে মায় জীবন রক্ষাকারী—

ভেজাল দিতেও ছাড়ে না মোটেই ভেজালের কারবারি!

ব্যবসায়ী ওরা! খাবারের নামে যোগান দিচ্ছে বিষ—

যে বিষে মানুষ আত্মহনন করছে অহর্নিশ!?

আত্মহনন না বলে, বললে ঠান্ডা-মাথায় খুন

হয়তো কথাটা যথার্থ হবে এর চেয়ে বহুগুণ।

 

একক খুনের প্রভাব সমাজ ও পরিবারে শুধু পড়ে,

ভেজাল-বিষের গণখুনে যারা জাতিকে পঙ্গু করে—

তাদের বিচারে গোটা দেশজুড়ে গণদাবি আজ তাই

মহাখুনিদের দ্রুত বিচার আর মৃত্যুদণ্ড চাই!

                                           মৃত্যুদণ্ড চাই!