গাজীপুর সিটি নির্বাচন
কাউন্সিলর প্রার্থী হলেন সাবেক ভারপ্রাপ্ত মেয়র ও চার ইউপি চেয়ারম্যান
প্রকাশ : ০৩ জুলাই ২০১৩, ২১:২৪
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী প্রার্থীদের মধ্যে সাবেক গাজীপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র মো. আব্দুল করিম সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন। তিনি নগরীর ২৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি সাবেক গাজীপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়ে দীর্ঘ দিন ধরে প্রথমে প্যানেল চেয়ারম্যান এবং পরে ২০০৮ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগ থেকে গাজীপুর পৌরসভার ভারপ্রাপ্ত মেয়র হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। এবার তিনি সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ২৬ নং ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর প্রার্থী হয়ে চাঁদ প্রতীক নিয়ে ভোট যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। এদিকে নগরীর পূবাইল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সুলতান উদ্দিন আহম্মেদ ৪২নং ওয়ার্ডে ও একই ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান ৪০নং ওয়ার্ড থেকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
অপরদিকে নগরীর কোনাবাড়ী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন আহম্মেদ সুন্দর ৯নং ওয়ার্ড এবং কাশিমপুর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান সোহরাব উদ্দিন সরকার ৫নং ওয়ার্ড থেকে সাধারণ কাউন্সিলর পদে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এক ওয়ার্ড থেকে তিন মেয়র প্রার্থী
গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সর্বশেষ ওয়ার্ড অর্থাত্ ৫৭নং সাধারণ ওয়ার্ড থেকে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩ জন। সাবেক টঙ্গী পৌরসভার একটানা ৩বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ১৪ দল সমর্থিত মেয়র প্রার্থী অ্যাড. আজমত উল্লাহ খান ৫৭নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি এবার দোয়াত কলম প্রতীক নিয়ে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। একই ওয়ার্ড থেকে আরো দুজন মেয়র প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অংশ নিচ্ছেন। তারা হচ্ছেন বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী টঙ্গী বাজারের সরকার পরিবারের সন্তান মেজবাহ উদ্দিন সরকার রুবেল। তিনি এ নির্বাচনে হাঁস প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করছেন। তিনি জেলা মুক্তিযোদ্ধা দলের আহবায়ক ছিলেন। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচন করায় তিনি ইতিমধ্যে ঐ দল থেকে বহিষ্কার হয়েছেন। একই ওয়ার্ড থেকে ডা. নাজিম উদ্দিন আহম্মেদ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি সচেতন নাগরিক পরিষদের সভাপতি। তার ছেলের ঋণ খেলাপির কারণে রিটার্নিং অফিসার প্রথমে তার প্রার্থিতা বাতিল করেন। পরে হাইকোর্টের শরণাপন্ন হয়ে তিনি তার প্রার্থিতা ফিরে পান। তিনি ঘোড়া প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।