জ্যোতিদের বাড়ি

ভুলে যায় জ্যোতিদের বাড়ি। জ্যোতি খুব শাদাসিদে এক অন্ধ মেয়ে। ও বাড়ি মুখর নিষিদ্ধ রৌদ্র ও জোছনার গানে যুবতী চাঁদের রোদে বে-আব্রু লজ্জায় ছোট ছোট দীর্ঘশ্বাসে ছিঁড়ে যায় বোঁটা বুকের গভীরে ফোটা গোপন কুসুম ঝরে শব্দহীন অদৃশ্য রাত্রির ঝড়ে। আগুন লতার মতো বাড়ে হাহাকার। পোড়ে বুক ডাকে আঁধার সংসার। শুষ্ক প্রায় গাঙুরের জলে রোদে পোড়া মাছের শরীর কোঁচবিদ্ধ করা ভয় ডাক দেয় ঘোরলাগা সন্ধ্যেবেলা থৈ থৈ কুয়াশায় ভিজে যায় স্বপ্নবাড়ি কাঁদে অন্ধ আশালতা জ্যোতিদের আঙিনায় দাঁড়ায় না কেউ