এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ পেল বাংলাদেশ
প্রকাশ : ০৪ জুলাই ২০১৩, ২৩:১৮
বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (এফআইইউ) সমন্বয়ে গড়া আন্তর্জাতিক ফোরাম এগমন্ট গ্রুপের সদস্যপদ পেয়েছে বাংলাদেশ ফাইনান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। এতে করে কেউ মানি লন্ডারিং, সন্ত্রাসী অর্থায়ন এবং দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ পাচার করলে সে তথ্য সহজেই পাওয়া যাবে। গতকাল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংকে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে এসব কথা জানান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আতিউর রহমান। এ সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের পরামর্শক আল্লাহ মালিক কাজেমী, নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমানসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গভর্নর ড. আতিউর রহমান বলেন, এগমন্ট গ্রুপের সদস্য হওয়ার মাধ্যমে ১৩১টি দেশে মানি লন্ডারিং ও সন্ত্রাসে অর্থায়ন প্রতিরোধ এবং বিদেশে পাচারকৃত অর্থ ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে। তাই এখন আর কেউ অর্থ পাচার করে সুবিধা করতে পারবেন না। তাছাড়া এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের আর্থিক খাতের ভাবমূর্তিও উজ্জ্বল হবে। বেসিক ব্যাংক, হলমার্ক ও শেয়ারবাজার দুর্নীতির মাধ্যমে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনার ব্যাপারে কার্যকরী পদক্ষেপ নেয়া হবে কিনা এবং রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিএফআইইউ ব্যবহূত হবে কিনা সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে গভর্নর উত্তর না দিয়েই অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এর আগে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মাহফুজুর রহমান বলেন, এগমন্ট গ্রুপের সদস্য হওয়ার আগে অনেক দেশ আমাদেরকে মানি লন্ডারিং সংক্রান্ত তথ্য দিতে চাইতো না। এগমন্ট গ্রুপের সদস্য হওয়ায় এ জটিলতার অবসান হয়েছে। ফলে সদস্যভুক্ত ১৩১টি দেশ থেকে সহজেই তথ্য পাওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, ২০০৮ সালে সদস্য পদ পাওয়ার জন্য আবেদন করলেও গত বুধবার রাতে এগমন্ট গ্রুপের বার্ষিক সাধারণ সভায় সদস্য দেশগুলোর সম্মতিক্রমে বাংলাদেশকে সদস্য পদ দেয়া হয়।